(১৯) সুতরাং যে ব্যক্তি জানে যে, যা কিছু আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে, ঐ কুরআন সত্য, সে কি ঐ ব্যক্তির মতো, যে অন্ধ? কেবল মাত্র তারাই উপদেশ গ্রহণ করে, যারা বোধশক্তির অধিকারী। (১৩. আর রাদ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২১) আর যারা ঐ সম্পর্ককে বজায় রাখে, যে সম্পর্ক বজায় রাখতে আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন, যারা তাদের প্রভু আল্লাহকে ভয় করে আর যারা তাদের মন্দ হিসাবের ব্যাপারে ভয় করে। (১৩. আর রাদ : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) আর যারা তাদের প্রভুর সন্তুষ্টি পাওয়ার জন্যে ধৈর্য্যধারণ করে, যারা নামায প্রতিষ্টা করে ও আমি তাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, তা থেকে তারা গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে আর যারা ভালো দিয়ে মন্দকে দূর করে, সুতরাং এদের জন্যেই পরকালের উৎকৃষ্ট ঘর রয়েছে। (১৩. আর রাদ : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) ঐ ঘর হচ্ছে বসবাসের জন্যে চিরস্থায়ী বাগান। তাতে তারা প্রবেশ করবে আর যারা সৎকর্ম করেছে, তাদের পিতা-মাতা, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে থেকেও প্রবেশ করবে। ফেরেশতারা বেহেশতের প্রত্যেক দরজা দিয়ে তাদের কাছে আসবে। (১৩. আর রাদ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৫) যারা আল্লাহর অঙ্গীকারকে দৃঢ় করার পর তা ভঙ্গ করে, আল্লাহ যে সম্পর্ককে অক্ষুন্ন রাখতে আদেশ করেছেন, তা ছিন্ন করে আর পৃথিবীর মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করে, সুতরাং এদের জন্যেই অভিশাপ ও নিকৃষ্ট ঘর রয়েছে। (১৩. আর রাদ : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা জীবিকা বাড়িয়ে দেন ও সঙ্কুচিত করে দেন। তারা পার্থিব জীবনের প্রতি মুগ্ধ। অথচ পার্থিব জীবন পরকালের তুলনায় অতি সামান্য। (১৩. আর রাদ : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা বলে, “কেনো তাঁর কাছে তাঁর প্রভুর পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না?” আপনি বলুন, “নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছে পথভ্রষ্ট করেন ও তিনি তাঁর নিজের দিকে ঐ ব্যক্তিকে পরিচালিত করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ করে।” (১৩. আর রাদ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, তাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণ দ্বারা শান্তি লাভ হয়। তোমরা জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তরে শান্তি লাভ হয়। (১৩. আর রাদ : ২৮)
- ব্যাখ্যা