শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


لَهُۥ دَعۡوَةُ ٱلۡحَقِّۚ وَٱلَّذِينَ يَدۡعُونَ مِن دُونِهِۦ لَا يَسۡتَجِيبُونَ لَهُم بِشَيۡءٍ إِلَّا كَبَٰسِطِ كَفَّيۡهِ إِلَى ٱلۡمَآءِ لِيَبۡلُغَ فَاهُ وَمَا هُوَ بِبَٰلِغِهِۦۚ وَمَا دُعَآءُ ٱلۡكَٰفِرِينَ إِلَّا فِي ضَلَٰلٖ ١٤
(১৪) তাঁর জন্যেই সত্যিকারের আহবান। তারা তাঁকে ছাড়া যাদেরকে আহবান করে, ঐ দেবতারা এই অবিশ্বাসীদের প্রতি সামান্যতম সাড়া দেয় না, তাদের দৃষ্টান্ত এমন, যেনো কোনো ব্যক্তি পানির দিকে তার দুই হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, যেনো পানি তার মুখে পৌঁছাতে পারে, অথচ ঐ পানি কখনোই তার মুখে পৌঁছাবে না। বস্তুত অবিশ্বাসীদের সব আহবান বৃথা যাবেই। (১৩. আর রাদ : ১৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلِلَّهِۤ يَسۡجُدُۤ مَن فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ طَوۡعٗا وَكَرۡهٗا وَظِلَٰلُهُم بِٱلۡغُدُوِّ وَٱلۡأٓصَالِ۩ ١٥
(১৫) যা কিছু নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে আছে, সবাই ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আল্লাহকে সেজদা করে আর তাদের ছায়াও সকালে ও সন্ধ্যায় আল্লাহকে সেজদা করে। (সেজদা-২) (১৩. আর রাদ : ১৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قُلۡ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ قُلِ ٱللَّهُۚ قُلۡ أَفَٱتَّخَذۡتُم مِّن دُونِهِۦٓ أَوۡلِيَآءَ لَا يَمۡلِكُونَ لِأَنفُسِهِمۡ نَفۡعٗا وَلَا ضَرّٗاۚ قُلۡ هَلۡ يَسۡتَوِي ٱلۡأَعۡمَىٰ وَٱلۡبَصِيرُ أَمۡ هَلۡ تَسۡتَوِي ٱلظُّلُمَٰتُ وَٱلنُّورُۗ أَمۡ جَعَلُواْ لِلَّهِ شُرَكَآءَ خَلَقُواْ كَخَلۡقِهِۦ فَتَشَٰبَهَ ٱلۡخَلۡقُ عَلَيۡهِمۡۚ قُلِ ٱللَّهُ خَٰلِقُ كُلِّ شَيۡءٖ وَهُوَ ٱلۡوَٰحِدُ ٱلۡقَهَّٰرُ ١٦
(১৬) আপনি বলুন, “কে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রভু?” আপনি বলুন, “আল্লাহ।” আপনি বলুন, “তবে কি তোমরা তাঁকে ছেড়ে দিয়ে, তাদেরকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করেছো, যারা তাদের নিজেদের জন্যে কোনো লাভ করতে সক্ষম নয় আর ক্ষতি করতেও সক্ষম নয়?” আপনি বলুন, “অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি একসমান অথবা অন্ধকার ও আলো কি একসমান?” অথবা তারা কি আল্লাহর এমন অংশীদার স্থির করেছে, যারা তাঁর সৃষ্টির মতো সৃষ্টি করেছে, ফলে তাদের কাছে উভয়ের সৃষ্টি, প্রকৃত স্রষ্টা সম্পর্কে সন্দেহ ঘটিয়েছে? আপনি বলুন, “আল্লাহই সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা আর তিনি হচ্ছেন একক, পরাক্রমশালী।” (১৩. আর রাদ : ১৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

أَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ فَسَالَتۡ أَوۡدِيَةُۢ بِقَدَرِهَا فَٱحۡتَمَلَ ٱلسَّيۡلُ زَبَدٗا رَّابِيٗاۖ وَمِمَّا يُوقِدُونَ عَلَيۡهِ فِي ٱلنَّارِ ٱبۡتِغَآءَ حِلۡيَةٍ أَوۡ مَتَٰعٖ زَبَدٞ مِّثۡلُهُۥۚ كَذَٰلِكَ يَضۡرِبُ ٱللَّهُ ٱلۡحَقَّ وَٱلۡبَٰطِلَۚ فَأَمَّا ٱلزَّبَدُ فَيَذۡهَبُ جُفَآءٗۖ وَأَمَّا مَا يَنفَعُ ٱلنَّاسَ فَيَمۡكُثُ فِي ٱلۡأَرۡضِۚ كَذَٰلِكَ يَضۡرِبُ ٱللَّهُ ٱلۡأَمۡثَالَ ١٧
(১৭) আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। তারপর উপত্যকায় পানির স্রোতধারা তাদের পরিমাণ অনুযায়ী প্রবাহিত হয়। তারপর স্রোতধারা স্ফীত ফেনারাশি বয়ে নিয়ে যায়। মানুষ যখন অলঙ্কার অথবা যন্ত্রপাতি নির্মাণ করতে চায় ও কোনো বস্তুকে আগুনের মধ্যে উত্তপ্ত করে, তখন তার উপরেও এর অনুরুপ ফেনারাশি থাকে। এইভাবে আল্লাহ সত্য ও মিথ্যার দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন। সুতরাং ফেনা তো শুকিয়ে যায় আর যা মানুষের উপকারে আসে, তা জমির মধ্যে অবশিষ্ট থাকে। আল্লাহ এইভাবে দৃষ্টান্ত সমূহ বর্ণনা করেন, যেনো তোমরা চিন্তা করো। (১৩. আর রাদ : ১৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

لِلَّذِينَ ٱسۡتَجَابُواْ لِرَبِّهِمُ ٱلۡحُسۡنَىٰۚ وَٱلَّذِينَ لَمۡ يَسۡتَجِيبُواْ لَهُۥ لَوۡ أَنَّ لَهُم مَّا فِي ٱلۡأَرۡضِ جَمِيعٗا وَمِثۡلَهُۥ مَعَهُۥ لَٱفۡتَدَوۡاْ بِهِۦٓۚ أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ سُوٓءُ ٱلۡحِسَابِ وَمَأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمِهَادُ ١٨
(১৮) যারা তাদের প্রভু আল্লাহর আদেশ পালনে সাড়া দেয়, তাদের জন্যে উত্তম প্রতিদান রয়েছে। আর যারা তাঁর প্রতি সাড়া দেয় না, তাদের জন্যে দোযখ রয়েছে। যদি এমন হয় যে, তাদের কাছে পৃথিবীর মধ্যে যা কিছু আছে, তার সব কিছু থাকে ও তার সাথে তার সমপরিমাণ আরো থাকে, তবে তারা তা অবশ্যই নিজেদের মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দিবে। এরাই তারা, যাদের জন্যে মন্দ হিসাব রয়েছে। তাদের ঠিকানা হবে দোযখ আর দোযখ হচ্ছে অতি নিকৃষ্ট বাসস্থান। (১৩. আর রাদ : ১৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা