(৬) এরা আপনার কাছে মঙ্গলের আগেই দ্রুত অমঙ্গলকে কামনা করে। অবশ্যই এদের পূর্বেও অনুরূপ বহু শিক্ষামূলক শাস্তি গত হয়েছে। নিশ্চয় আপনার প্রভু মানুষকে তাদের অন্যায় কাজ সত্বেও ক্ষমা করে থাকেন আর নিশ্চয় আপনার প্রভু শাস্তি দানেও অতি কঠোর। (১৩. আর রাদ : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা বলে যে, “কেনো মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর প্রভুর পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না?” নিশ্চয় আপনি কেবল একজন সতর্ককারী মাত্র। বস্তুত প্রত্যেক জাতির জন্যে একজন পথ প্রদর্শক ছিলো। (১৩. আর রাদ : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) আল্লাহ জানেন প্রত্যেক নারী যা গর্ভে ধারণ করে আর গর্ভাশয় যা সঙ্কুচিত ও বর্ধিত করে। তাঁর কাছে প্রত্যেক বস্তুরই একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারিত রয়েছে। (১৩. আর রাদ : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) তোমাদের মধ্যে যে কেউ গোপনে কথা বলুক বা তা সশব্দে প্রকাশ করুক, রাতের বেলায় অন্ধকারে সে আত্মগোপন করুক বা দিনের বেলায় প্রকাশ্যে বিচরণ করুক, এরা সবাই আল্লাহর নিকট সমান। (১৩. আর রাদ : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) প্রতিটি মানুষের সামনে ও পিছনে প্রহরী ফেরেশতা রয়েছে। আল্লাহর নির্দেশে ঐ ফেরেশতা প্রতিটি মানুষকে পালাক্রমে রক্ষণা-বেক্ষণ করে। নিশ্চয় আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না, তারা নিজেরাই তাদের অবস্থা পরিবর্তন করে নেয়। আল্লাহ যখন কোনো জাতির উপর অকল্যাণ চান, তখন তা ফেরানো যায় না। আর তাঁকে বাদ দিয়ে তাদের জন্যে কোনো অভিভাবক নেই। (১৩. আর রাদ : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে বজ্রপাতের ভয় ও বৃষ্টির আশা স্বরূপ আকাশের মধ্যে বিদ্যুৎ দেখান। আর তিনি ঘন পানিবাহী মেঘমালা তৈরী করেন। (১৩. আর রাদ : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) তাঁর ভয়ে আকাশের বজ্র ও সব ফেরেশতারা তাঁর পবিত্রতার সাথে প্রশংসা পাঠ করে। তিনিই বজ্রপাত প্রেরণ করেন, তারপর যাকে ইচ্ছা, তাকে ঐ বজ্রপাত দ্বারা আঘাত করেন। তবুও অবিশ্বাসীরা আল্লাহ সম্পর্কে তর্ক করে, যদিও তিনি প্রবল শক্তিশালী। (১৩. আর রাদ : ১৩)
- ব্যাখ্যা