(১) আলিফ, লাম, মীম, র। এগুলো হচ্ছে প্রজ্ঞাময় গ্রন্থের বাণী। আপনার প্রতি যে কুরআন আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে, ঐ কুরআন অবশ্যই সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করে না। (১৩. আর রাদ : ১)
- ব্যাখ্যা
(২) তিনিই আল্লাহ, যিনি আকাশকে স্তম্ভ ব্যতীত উর্ধ্বে স্থাপন করেছেন। তোমরা এই আকাশকে দেখো। তারপর তিনি সিংহাসনের উপরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন, প্রত্যেকে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী আবর্তন করে। তিনি সিংহাসনের উপরে থেকে সকল বিষয় পরিচালনা করেন। তিনি নিদর্শন সমূহ বিশদ ভাবে বর্ণনা করেন, যেনো তোমরা স্বীয় প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে নিশ্চিত বিশ্বাসী হও। (১৩. আর রাদ : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) তিনিই আল্লাহ, যিনি পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন ও তার মধ্যে পর্বতমালা ও নদনদী স্থাপন করেছেন। তিনি প্রত্যেক প্রকার ফল জোড়ায়-জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। তিনি দিনকে রাত দ্বারা আবৃত করেন। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা চিন্তা করে। (১৩. আর রাদ : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) পৃথিবীর মধ্যে বিভিন্ন শস্যক্ষেত্র রয়েছে, যার একটি অপরটির পাশাপাশি। আর আঙ্গুরের বাগান সমূহ, শস্যক্ষেত্র ও খেজুরের গাছ সমূহ রয়েছে, এর কতক একাধিক কাণ্ডবিশিষ্ট আর কতক এক কাণ্ডবিশিষ্ট। এগুলোকে একই পানি দিয়ে সেচ করা হয়। আমি স্বাদে তাদের একটিকে অপরটির উপরে উৎকৃষ্টতর করেছি। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা চিন্তা করে। (১৩. আর রাদ : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫) আপনি যদি অবাক হতে চান, তবে তাদের এ কথা অবাককর যে, তারা বলে, “আমরা যখন মাটি হয়ে যাবো, তখনও কি আমরা নতুন ভাবে সৃষ্টি হবো?” এরাই তারা, যারা তাদের প্রভুর প্রতি অবিশ্বাস করে। আর এরাই আগুনের বাসীন্দা হবে ও এদের গলায় শিকল থাকবে। এরা ঐ আগুনের মধ্যে চিরকাল থাকবে। (১৩. আর রাদ : ৫)
- ব্যাখ্যা