(৯৬) তারপর যখন সুসংবাদ দাতা কিনানে এলো, সে ঐ জামাটি ইয়াকুবের মুখের উপরে রাখলো। তখন তিনি দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেলেন। তিনি বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয় আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে যা জানি, তোমরা তা জানো না?” (১২. ইউসূফ : ৯৬)
- ব্যাখ্যা
(৯৭) তারা বললো, “হে আমাদের পিতা! আমাদের জন্যে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করুন, যেনো আল্লাহ আমাদের অপরাধ সমূহ ক্ষমা করেদেন। নিশ্চয় আমরা অপরাধী ছিলাম।” (১২. ইউসূফ : ৯৭)
- ব্যাখ্যা
(৯৯) তারপর যখন তারা ইউসুফের কাছে পৌঁছালো, তখন ইউসুফ পিতা-মাতাকে নিজের কাছে রাখলেন এবং তিনি তার ভাইদেরকে বললেন, “যদি আল্লাহ চান, তবে তোমরা সবাই মিসরে নিরাপদে প্রবেশ করো।” (১২. ইউসূফ : ৯৯)
- ব্যাখ্যা
(১০০) ইউসুফ তাঁর পিতা-মাতাকে সিংহাসনের উপরে বসালেন এবং তারা সবাই তাঁর সামনে সেজদায় ঝুঁকে পড়লো। তখন তিনি বললেন, “হে আমার পিতা! এ হচ্ছে আমার ইতিপূর্বের স্বপ্নের তাৎপর্য। অবশ্যই আমার পালনকর্তা একে সত্যে পরিণত করেছেন। অবশ্যই তিনি আমার প্রতি ঐ সময় অনুগ্রহ করেছিলেন, যখন আমাকে কারাগার থেকে বের করেছিলেন আর শয়তান আমার ও আমার ভাইদের মধ্যে কলহ সৃষ্টি করার পরেও, আপনাদেরকে গ্রাম থেকে নিয়ে এসেছেন। নিশ্চয় আমার প্রভু সুকৌশলী। তিনি যা ইচ্ছা তাই করেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (১২. ইউসূফ : ১০০)
- ব্যাখ্যা
(১০১) হে আমার প্রভু! অবশ্যই আপনি আমাকে রাষ্ট্রক্ষমতা দান করেছেন এবং আমাকে ঘটনা সমূহের তাৎপর্য শিক্ষা দিয়েছেন। হে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আদি স্রষ্টা, ইহকাল ও পরকালের মধ্যে আপনিই আমার অভিভাবক। আপনি আমাকে মুসলিম অবস্থায় মৃত্যুদান করুন এবং আমাকে সৎকর্মীদের সঙ্গে মিলিত করুন।” (১২. ইউসূফ : ১০১)
- ব্যাখ্যা
(১০২) হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই হচ্ছে অদৃশ্যের সংবাদ থেকে কিছু অংশ, যা আমি আপনার কাছে প্রেরণ করছি। আপনি ইউসুফের ভাইদের কাছে তখন উপস্থিত ছিলেন না, যখন তারা ইউসুফের প্রতি চক্রান্ত করে তাদের কাজকে স্থির করছিলো। (১২. ইউসূফ : ১০২)
- ব্যাখ্যা
(১০৩) হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হবে না, যদিও আপনি একান্ত ভাবে চান যে তারা বিশ্বাসী হোক। (১২. ইউসূফ : ১০৩)
- ব্যাখ্যা