(৭৯) ইউসুফ বললেন, “আল্লাহ আমাদেরকে এ অপরাধ থেকে রক্ষা করুন যে, তাকে ছাড়া আমরা অন্য কাউকে গ্রেফতার করি, যার কাছে আমরা আমাদের পণ্য পেয়েছি। তখন আমরা অবশ্যই জালিম হয়ে যাবো।” (১২. ইউসূফ : ৭৯)
- ব্যাখ্যা
(৮০) তারপর যখন তারা ইউসুফের কাছ থেকে নিরাশ হয়ে গেলো, তখন তারা পরামর্শের জন্যে আলাদা হলো। তাদের বড় ভাই বললো, “তোমরা কি জানো না যে, তোমাদের পিতা তোমাদের কাছ থেকে আল্লাহর নামে অঙ্গীকার নিয়েছেন এবং পূর্বে ইউসুফের ব্যাপারেও তোমরা কি রকম ত্রুটি করেছিলে? সুতরাং আমি কখনোই এ দেশ ত্যাগ করবো না, যে পর্যন্ত না, আমার পিতা আমাকে অনুমতি দেন অথবা আল্লাহ আমার জন্যে অন্য কোনো ব্যবস্থা করেদেন। বস্তুত আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যবস্থাপক। (১২. ইউসূফ : ৮০)
- ব্যাখ্যা
(৮১) তোমরা তোমাদের পিতার কাছে ফিরে যাও। তারপর তোমরা বলো যে, হে আমাদের পিতা! নিশ্চয় আপনার ছেলে চুরি করেছে। আমরা যা জানি, তাই সাক্ষ্য দিচ্ছি। অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে আমরা সর্বজ্ঞ ছিলাম না। (১২. ইউসূফ : ৮১)
- ব্যাখ্যা
(৮২) আপনি জিজ্ঞেস করুন ঐ জনপদের অধিবাসীদেরকে, যেখানে আমরা ছিলাম এবং ঐ যাত্রীদলকে, যাদের সাথে আমরা এসেছি। নিশ্চয় আমরা সত্যবাদী।” (১২. ইউসূফ : ৮২)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) ইয়াকুব বললেন, “বরং এ বিষয়টি তোমাদের অন্তর তোমাদের জন্যে উদ্ভাবন করেছে। সুতরাং এখন আমার জন্যে ধৈর্য্যধারণই উত্তম। সম্ভবত এমন হবে যে, আল্লাহ ইউসুফ ও বীন ইয়ামীনকে একসঙ্গে আমার কাছে এনে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।” (১২. ইউসূফ : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) ইয়াকুব তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং বললেন, “হায় ইউসুফের জন্যে আমার আফসোস!” দুঃখের কারণে তাঁর চোখ দুইটি সাদা হয়ে গিয়েছিলো। ফলে তিনি অসহনীয় মনের দুঃখে বিষন্ন হলেন। (১২. ইউসূফ : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
(৮৫) তারা বললো, “আল্লাহর শপথ! আপনি তো ইউসুফকে স্মরণ করা থেকে বিরত হবেন না, যে পর্যন্ত না, আপনি রোগাক্রান্ত হয়ে যান অথবা মারা যান।” (১২. ইউসূফ : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
(৮৬) ইয়াকুব বললেন, “কেবল মাত্র আমি আমার দুঃখ ও বেদনা আল্লাহরই কাছে নিবেদন করছি এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে আমি যা জানি, তোমরা তা জানো না। (১২. ইউসূফ : ৮৬)
- ব্যাখ্যা