(৬৪) ইয়াকুব বললেন, “আমি কি তার ব্যাপারে তোমাদেরকে ঐরূপ বিশ্বাস করবো, যেমন ইতিপূর্বে তার ভাই ইউসুফ সম্পর্কে তোমাদেরকে বিশ্বাস করেছিলাম? সুতরাং এখন আমার জন্যে আল্লাহই উত্তম রক্ষক এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ দয়ালু।” (১২. ইউসূফ : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(৬৫) যখন তারা তাদের জিনিসপত্র খুললো, তখন তারা দেখতে পেলো যে, তাদের দ্রব্যমূল্য তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা বললো, “হে আমাদের পিতা! আমরা আর কি চাইতে পারি? এই তো আমাদের দ্রব্যমূল্য আমাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন আমাদের পরিবারের জন্যে আমরা পুনরায় খাদ্য শস্য আনতে পারবো। আর আমাদের ভাই বীন ইয়ামীনকে আমরা রক্ষণা-বেক্ষণ করবো। আমরা এক উট বোঝাই খাদ্য শস্য অতিরিক্ত আনবো। ঐ পরিমাণ খাদ্য শস্য অর্জন করা এখন আমাদের পক্ষে সহজ।” (১২. ইউসূফ : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৬) ইয়াকুব বললেন, “আমি বীন ইয়ামীনকে কখনোই তোমাদের সাথে পাঠাবো না, যতক্ষণ না, তোমরা আমার কাছে আল্লাহর নামে অঙ্গীকার দিবে যে, তোমরা অবশ্যই আমার কাছে তাকে ফিরিয়ে দিবে, যদি না তোমরা একান্ত অসহায় হয়ে যাও।” সুতরাং তারা যখন ইয়াকুবকে তাদের অঙ্গীকার দিলো, তখন ইয়াকুব বললেন, “আমরা যা বলছি এ ব্যাপারে আল্লাহই মধ্যস্থ রইলেন।” (১২. ইউসূফ : ৬৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬৭) ইয়াকুব বললেন, “হে আমার পুত্রগণ! তোমরা একই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না, বরং তোমরা ভিন্ন ভিন্ন দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। আল্লাহর কোনো শাস্তি থেকে আমি তোমাদেরকে রক্ষা করতে পারবো না। একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নির্দেশ চলে না। তাঁর উপরেই আমি ভরসা করি এবং তাঁর উপরেই ভরসাকারীদের ভরসা করা উচিত।” (১২. ইউসূফ : ৬৭)
- ব্যাখ্যা
(৬৮) যখন ইউসুফের ভাইয়েরা তাদের পিতার আদেশ মতো মিশরে প্রবেশ করলো, তখন আল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের কোনো কৌশল উপকারে আসেনি, তবে এটি একটি ইয়াকুবের মনের বাসনা ছিলো, যা তিনি পূর্ণ করেছেন। অবশ্যই ইয়াকুব জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন, যেহেতু আমি তাঁকে জ্ঞান দান করেছিলাম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ প্রকৃত বিষয় জানে না। (১২. ইউসূফ : ৬৮)
- ব্যাখ্যা
(৬৯) ইউসুফের ভাইয়েরা যখন ইউসুফের কাছে উপস্থিত হলো, তখন ইউসুফ তাঁর ভাই বীন ইয়ামীনকে নিজের কাছে রাখলেন। তিনি বললেন, “নিশ্চয় আমিই তোমার সহোদর ভাই, সুতরাং তারা যা করে, ঐ কারণে তুমি দুঃখ করো না।” (১২. ইউসূফ : ৬৯)
- ব্যাখ্যা