(৫৩) ইউসুফ আরো বললেন, “আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না। নিশ্চয় মানুষের মন মন্দ কাজের আদেশ করে, কিন্তু ঐ মন নয়, আমার প্রভু যে ব্যক্তির প্রতি অনুগ্রহ করেন। নিশ্চয় আমার প্রভু ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।” (১২. ইউসূফ : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) বাদশাহ বললেন, “ইউসুফকে আমার কাছে নিয়ে এসো। আমি তাঁকে আমার নিজের জন্যে একান্ত ভাবে বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে গ্রহণ করবো।” সুতরাং বাদশাহ যখন ইউসুফের সাথে আলাপ করলেন, তখন বাদশাহ বললেন, “নিশ্চয় আপনি আমাদের কাছে আজ থেকে বিশ্বস্ত হিসেবে মর্যাদার স্থান লাভ করেছেন।” (১২. ইউসূফ : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৬) এইভাবে আমি ইউসুফকে ঐ দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করলাম, সেখানে তিনি যেখানে ইচ্ছা অবস্থান করতে পারতেন। আমি আমার স্বীয় অনুগ্রহের দ্বারা যাকে ইচ্ছা ধন্য করি এবং আমি পূণ্যবানদের প্রতিদান বিনষ্ট করি না। (১২. ইউসূফ : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) ইউসুফের ভাইয়েরা মিশরে এলো এবং ইউসুফের কাছে উপস্থিত হলো। তখন ইউসুফ তাদেরকে চিনতে পারলেন, কিন্তু তারা ইউসুফকে চিনতে পারলো না। (১২. ইউসূফ : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) ইউসুফ যখন তাদেরকে তাদের খাদ্য-সামগ্রী প্রস্তুত করে দিলেন, তখন তিনি বললেন, “তোমরা তোমাদের বৈমাত্রেয় ভাই বীন ইয়ামীনকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তোমরা কি দেখো না যে, আমি খাদ্য-সামগ্রী পুরো মাপ দিই এবং আমি মেহমানকে উত্তম আপ্যায়ণ করি? (১২. ইউসূফ : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬০) সুতরাং তোমরা যদি তাকে আমার কাছে না আনো, তবে তোমাদের জন্যে আমার নিকট কোনো খাদ্য-সামগ্রীর পরিমাপ বরাদ্ধ থাকবে না এবং তোমরা তখন আমার নিকটবর্তী হয়ো না।” (১২. ইউসূফ : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬২) ইউসুফ তাঁর কর্মচারীদেরকে বললেন, “তোমরা তাদের দ্রব্যমূল্য তাদের মালপত্রের মধ্যে রেখে দাও। যখন তারা তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাবে, তখন যেনো তারা এটা চিনতে পারে। সম্ভবত তারা পুনরায় ফিরে আসবে।” (১২. ইউসূফ : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) তারপর যখন তারা তাদের পিতার কাছে ফিরে এলো তখন তারা বললো, “হে আমাদের পিতা! আমাদের জন্যে খাদ্য শস্যের বরাদ্দ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সুতরাং আমাদের সঙ্গে আমাদের ভাই বীন ইয়ামীনকে প্রেরণ করুন। যেনো আমরা খাদ্য শস্যের বরাদ্দ পেতে পারি আর আমরা অবশ্যই তাকে রক্ষণা-বেক্ষণ করবো।” (১২. ইউসূফ : ৬৩)
- ব্যাখ্যা