(৩৮) আমি আমার পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ধর্ম অনুসরণ করেছি। আমাদের জন্যে শোভা পায় না যে, কোনো কিছুকে আমার আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার করি। এটি আমাদের প্রতি এবং অন্য সব মানুষের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (১২. ইউসূফ : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৪০) তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে, কিছু মিথ্যা নাম সমূহের উপাসনা করছো। যে নাম সমূহ তোমরা এবং তোমাদের পূর্ব-পুরুষরা নামকরণ করেছো। আল্লাহ ঐ নাম সমূহের জন্যে কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। আল্লাহ ছাড়া কারো বিধান দেওয়ার অধিকার নেই। তিনি আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা কেবল মাত্র তাঁকে ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করো না। এই হচ্ছে সঠিক ধর্ম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না। (১২. ইউসূফ : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) হে আমার কারাগারের সঙ্গিদ্বয়! তোমাদের একজনের ক্ষেত্রে এই হবে যে, সে তার প্রভু বাদশাহকে মদ পান করাবে এবং অন্যজনের ক্ষেত্রে এই হবে যে, তাকে শুলে চড়ানো হবে। তারপর পাখীরা তার মাথা থেকে খাবে। তোমরা যে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছিলে, সেই সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে।” (১২. ইউসূফ : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) তাদের দুইজনের মধ্যে যার সম্পর্কে ইউসুফ জানতেন যে, সে মুক্তি পাবে, তাকে ইউসুফ বললেন যে, “তোমার প্রভু বাদশাহর কাছে আমার কথা আলোচনা করবে।” কিন্তু শয়তান ঐ ব্যক্তিকে তার প্রভু বাদশার কাছে ইউসুফের সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিতে ভুলিয়ে দিয়েছিলো, তাই ইউসুফ আরো কয়েক বছর কারাগারের মধ্যে থাকলেন। (১২. ইউসূফ : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) কয়েক বছর পরে বাদশাহ বললেন, “নিশ্চয় আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, সাতটি মোটা তাজা গরুকে সাতটি রোগা পাতলা গরু খেয়ে ফেললো। আর সাতটি সবুজ শীষকে অন্য সাতটি শুকনো শীষ খেয়ে ফেললো। ওহে পরিষদবর্গ! তোমরা আমাকে আমার স্বপ্নের তাৎপর্য বলে দাও, যদি তোমরা স্বপ্নের তাৎপর্য করতে পারো।” (১২. ইউসূফ : ৪৩)
- ব্যাখ্যা