(২৩) ইউসুফ যে জুলেয়খার ঘরে ছিলো, ঐ জুলেয়খা ইউসুফের আত্মার সংযত হওয়া থেকে তাঁকে ফুসলালো এবং দরজা সমূহ বন্ধ করে দিলো। জুলেয়খা বললো, “শুনো! তোমাকে বলছি, এদিকে এসো!” ইউসুফ বললো, “আল্লাহ আমাকে রক্ষা করুন। নিশ্চয় তোমার স্বামী আমার মালিক। তিনি আমাকে অতি উত্তম ভাবে থাকতে দিয়েছেন। নিশ্চয় যে ব্যক্তি অন্যায়কারী, সে কখনোই সফল হয় না।” (১২. ইউসূফ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৪) অবশ্যই জুলেয়খা ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়েছিলো। আর ইউসুফ জুলেয়খার প্রতিও আসক্ত হয়ে পড়তেন, যদি না, ইউসুফ তাঁর প্রভুর স্পষ্ট প্রমাণকে দেখতে পেতেন। যেনো আমি তাঁর কাছ থেকে মন্দ কাজ ও অশ্লীলতাকে সরিয়ে দিতে পারি। নিশ্চয় তিনি আমার একান্ত মনোনীত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। (১২. ইউসূফ : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) তারা উভয়ে দরজার দিকে ছুটে গেলো এবং জুলেয়খা ইউসুফের জামা পিছন দিক থেকে ছিঁড়ে ফেললো। তারা উভয়ে জুলেয়খার স্বামীকে দরজার কাছে পেলো। জুলেয়খা বললো, “যে ব্যক্তি তোমার পরিবারের সাথে কুকর্ম করার ইচ্ছা করে, তার প্রতিদান শাস্তি সরূপ এ ছাড়া আর কি হতে পারে যে, তাকে কারাগারে পাঠানো হবে অথবা অন্য কোনো যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেওয়া হবে?” (১২. ইউসূফ : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) ইউসুফ বললেন, “সেই আমাকে আমার আত্মার সংযত হওয়া থেকে ফুসলিয়ে ছিলো।” জুলেয়খার পরিবারের মধ্যে থেকে একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিলো যে, “যদি ইউসুফের জামাটি সামনের দিক থেকে ছেঁড়া হয়, তবে জুলেয়খা সত্যবাদিনী এবং ইউসুফ মিথ্যাবাদী। (১২. ইউসূফ : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৮) সুতরাং আযীয যখন দেখলো যে ইউসুফের জামাটি পিছনের দিক থেকে ছেঁড়া তখন সে বললো, “এ নিশ্চয় তোমাদের নারীদের ছলনা, নিশ্চয় তোমাদের ছলনা খুবই মারাত্মক। (১২. ইউসূফ : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(৩০) শহরের নারীরা বললো যে, “আযীযের স্ত্রী তার যুবক দাসকে তাঁর আত্মার সংযত হওয়া থেকে ফুসলিয়ে ছিলো! অবশ্যই ইউসুফের প্রেম জুলেয়খাকে উন্মাদ করেছে। নিশ্চয় আমরা জুলেয়খাকে প্রকাশ্য বিভ্রান্তির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি।” (১২. ইউসূফ : ৩০)
- ব্যাখ্যা