(১৫) তারপর তারা যখন ইউসুফকে নিয়ে গেলো এবং সবাই একমত হলো যে, তারা তাঁকে গভীর কুয়ায় ফেলে দিবে, তখন আমি ইউসূফের প্রতি ওহী প্রেরণ করলাম যে, “অবশ্যই তুমি তাদেরকে তাদের এই কাজের ব্যাপারে এমন একদিন জানিয়ে দিবে যে, তখন তারা তোমাকে চিনতে পারবে না।” (১২. ইউসূফ : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৭) তারা বললো, “হে আমাদের পিতা! নিশ্চয় আমরা দৌড় প্রতিযোগিতা করতে গিয়েছিলাম এবং আমরা ইউসুফকে আমাদের আসবাব-পত্রের পাশে রেখে গিয়েছিলাম, তখন তাঁকে নেকড়ে বাঘে খেয়ে ফেলেছে। কিন্তু তুমি তো আমাদের প্রতি বিশ্বাসী হবে না, যদিও আমরা সত্যবাদী হই।” (১২. ইউসূফ : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) তারা ইসুফের জামার উপরে মিথ্যা রক্ত লাগিয়ে ইয়াকুবের কাছে এসেছিলো। ইয়াকুব বললেন, “এটা কখনোই সত্য নয়, বরং তোমাদের মন তোমাদের জন্যে এই বিষয়টিকে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে। সুতরাং এখন ধৈর্য্যধারণ করাই আমার জন্যে উত্তম। তোমরা যা বর্ণনা করছো, সেই বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।” (১২. ইউসূফ : ১৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯) ভ্রমণকারীরা এলো, তারপর তারা তাদের পানি সংগ্রহককে প্রেরণ করলো। সে তখন তার বালতি নামিয়ে দিলো। সে বললো, “কি সুখবর! এ তো একটি কিশোর!” তারা ইসুফকে পন্যদ্রব্য বিবেচনা করে লুকিয়ে রাখলো। আল্লাহ ঐ সম্পর্কে খুব ভালো জানেন, যা কিছু তারা করছিলো। (১২. ইউসূফ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২১) মিসরে যে ব্যক্তি ইউসুফকে কিনেছিলো, ঐ আযীয তার স্ত্রীকে বললো, “সম্মানজনক ভাবে তাঁর থাকবার জায়গা করো। হয়তো এমন হবে যে, সে আমাদের উপকারে আসবে অথবা আমরা তাঁকে পুত্ররূপে গ্রহণ করতে পারি।” এইভাবে আমি ইউসুফের জন্যে ঐ দেশের মধ্যে বাসস্থান ঠিক করে দিলাম আর আমি যেনো তাঁকে ঘটনাবলীর তাৎপর্য শিখাতে পারি। আল্লাহ তাঁর স্বীয় কাজের উপরে প্রভাবশালী, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এই বিষয়টি জানে না। (১২. ইউসূফ : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) যখন ইউসুফ তাঁর পূর্ণ যৌবনে পৌঁছে গেলো, তখন আমি তাঁকে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দান করলাম। এইভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। (১২. ইউসূফ : ২২)
- ব্যাখ্যা