(৫) ইয়াকুব বললেন, “হে আমার পুত্র! তুমি তোমার ভাইদের কাছে এ স্বপ্ন বর্ণনা করো না। তাহলে তারা তোমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করবে। নিশ্চয় শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু। (১২. ইউসূফ : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) এইভাবে তোমার প্রভু তোমাকে মনোনীত করবেন। তোমাকে সকল কথার ও স্বপ্নের তাৎপর্য শিক্ষা দিবেন। তোমার প্রতি ও ইয়াকুব বংশের প্রতি আল্লাহ তাঁর স্বীয় অনুগ্রহকে পূর্ণ করবেন, যেমন ইতিপূর্বে তোমার পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম ও ইসহাকের প্রতি আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহকে পূর্ণ করেছিলেন। নিশ্চয় তোমার প্রভু আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।” (১২. ইউসূফ : ৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) যখন ইউসুফের সৎ ভাইয়েরা বলেছিলো, “অবশ্যই ইউসুফ ও তাঁর ভাই বীন ইয়ামীন আমাদের পিতার কাছে আমাদের চেয়েও অধিক প্রিয়, অথচ আমরা একটা শক্তিশালী দল। নিশ্চয় আমাদের পিতা স্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন। (১২. ইউসূফ : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) তোমরা ইউসুফকে হত্যা করো অথবা তাঁকে অন্য কোনো স্থানে ফেলে আসো। তাহলে এতে শুধু তোমাদের প্রতিই তোমাদের পিতার মনোযোগ আকৃষ্ট হবে। তারপর তোমরা তোমাদের পিতার কাছে ভালো দল হিসেবে বিবেচিত হতে পারবে।” (১২. ইউসূফ : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) তাদের মধ্যে থেকে একজন বক্তা বললো, “যদি তোমাদেরকে কিছু করতেই হয়, তবে তোমরা ইউসুফকে হত্যা করো না, বরং তাঁকে কোনো গভীর কুয়ায় ফেলে দাও, হয়তো ভ্রমণকারীদের কেউ তাঁকে তুলে নিয়ে যাবে।” (১২. ইউসূফ : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) তারা বললো, “হে আমাদের পিতা! তোমার কি হয়েছে যেজন্যে তুমি ইউসুফের ব্যাপারে আমাদেরকে বিশ্বাস করো না, অথচ নিশ্চয় আমরা তাঁর শুভাকাঙ্খী? (১২. ইউসূফ : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) আগামীকাল তাঁকে আমাদের সঙ্গে পাঠিয়ে দাও, সে আনন্দের সাথে খাবে এবং খেলাধুলা করবে এবং নিশ্চয় আমরা সবাই তাঁকে হেফাজত করবো।” (১২. ইউসূফ : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) ইয়াকুব বললেন, “অবশ্যই আমার এ ব্যাপারে দুশ্চিন্তা হয় যে, তোমরা তাঁকে নিয়ে যাবে এবং আমি আশঙ্কা করি যে, নেকড়ে বাঘ তাঁকে খেয়ে ফেলবে এবং তোমরা তাঁর প্রতি অমনোযোগী থাকবে।” (১২. ইউসূফ : ১৩)
- ব্যাখ্যা