(১১৮) যদি আপনার প্রভু ইচ্ছা করতেন, তবে অবশ্যই সব মানুষকে একই জাতিতে পরিনত করতে পারতেন আর তারা বিভিন্ন ধর্ম মতে বিভক্ত হতো না। (১১. হুদ : ১১৮)
- ব্যাখ্যা
(১১৯) তবে ঐ ব্যক্তি মতভেদ করে না, যাকে আপনার প্রভু দয়া করেছেন। এ কারণেই আল্লাহ জ্বিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছেন, যেনো জ্বিন ও মানুষকে পৃথিবীতে পরীক্ষা করা হয়। এর কারণ এই যে, আপনার প্রভুর এই বাণী সম্পূর্ণ হয়েছে যে, “অবশ্যই আমি একই সঙ্গে জ্বিন ও মানুষের দ্বারা দোযখ পূর্ণ করবো।” (১১. হুদ : ১১৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২০) রসূলদের এই সব কাহিনী আমি আপনার কাছে বর্ণনা করছি, যেনো এই সব বর্ণনার দ্বারা আমি আপনার অন্তরকে মজবুত করি। বিশ্বাসীদের জন্যে এই সব কাহিনীর মধ্যে সত্য কাহিনী ও উপদেশ ও স্মরণীয় বার্তা স্বরূপ কুরআন আপনার কাছে এসেছে। (১১. হুদ : ১২০)
- ব্যাখ্যা
(১২১) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে না, তাদেরকে আপনি বলুন, “তোমাদের নিজেদের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী তোমরা কাজ করে যাও, নিশ্চয় আমরাও আমাদের অবস্থা অনুযায়ী কাজ করছি। (১১. হুদ : ১২১)
- ব্যাখ্যা
(১২৩) নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের গোপন তথ্য কেবল মাত্র আল্লাহরই নিকটে রয়েছে। তাঁর দিকেই সকল বিষয় ফিরে যাবে। সুতরাং তোমরা তাঁরই উপাসনা করো ও তোমরা তাঁর উপরেই ভরসা করো। আর তোমরা যা করো, সেই সম্পর্কে আপনার প্রভু আল্লাহ অমনোযোগী নন। (১১. হুদ : ১২৩)
- ব্যাখ্যা
(৩) আমি এ কুরআনকে আপনার কাছে ওহী করার মাধ্যমে, আপনার কাছে উত্তম কাহিনী সমূহ বর্ণনা করছি। নিশ্চয় এর আগে আপনি এ ব্যাপারে বেখবর ছিলেন। (১২. ইউসূফ : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) যখন ইউসুফ তাঁর পিতা ইয়াকুবকে বললেন, “হে আমার পিতা! নিশ্চয় আমি স্বপ্নে এগারটি নক্ষত্র, সুর্য এবং চন্দ্রকে দেখেছি। আমি তাদেরকে আমার উদ্দেশ্যে সেজদা করতে দেখেছি।” (১২. ইউসূফ : ৪)
- ব্যাখ্যা