(১০৯) সুতরাং, তারা যেসবের উপাসনা করে, আপনি সেই ব্যাপারে কোনো রূপ সন্দেহের মধ্যে থাকবেন না। ইতিপূর্বে যেভাবে তাদের পিতৃ-পুরুষরা উপাসনা করতো, সেই ভাবে তারা উপাসনা করে। নিশ্চয় আমি শাস্তির ভাগ কিছু মাত্র কম না করেই, তাদেরকে পুরোপুরি শাস্তি দিবো। (১১. হুদ : ১০৯)
- ব্যাখ্যা
(১১০) আমি অবশ্যই মূসাকে গ্রন্থ দিয়েছিলাম, কিন্তু তার মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করা হয়েছিলো। যদি আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে পরকালের শাস্তির বাণী পূর্বে থেকেই নির্ধারিত না হতো, তাহলে তাদের মধ্যে পৃথিবীতেই মীমাংসা করে দেওয়া হতো। নিশ্চয় তারা এই পরকালের শাস্তির সম্পর্কে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে সন্দেহের মধ্যে রয়েছে। (১১. হুদ : ১১০)
- ব্যাখ্যা
(১১১) নিশ্চয় যখন সময় হবে, তখন আপনার প্রভু প্রত্যেকের জন্যে তাদের কর্মের প্রতিদান তাদেরকে পুরোপুরি দান করবেন। নিশ্চয় তারা যা করে, আল্লাহ সেই বিষয়ে অবহিত। (১১. হুদ : ১১১)
- ব্যাখ্যা
(১১২) সুতরাং আপনি সরল পথের উপরে স্থীর থাকুন, যেমন আপনাকে আদেশ করা হয়েছে। ঐ ব্যক্তিও যোনো সরল পথের উপরে স্থীর থাকে, যে ব্যক্তি আপনার সঙ্গে পথহারা অবস্থা থেকে ফিরে এসেছে। তোমরা সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয় তোমরা যা করো, আল্লাহ তা ভালো ভাবেই দেখেন। (১১. হুদ : ১১২)
- ব্যাখ্যা
(১১৩) যারা মানুষের প্রতি অন্যায় করে, তোমরা তাদের দিকে ঝুঁকো না, যদি তোমরা তাদের দিকে ঝুঁকো তাহলে আগুন তোমাদেরকে স্পর্শ করবে। এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ছাড়া তোমাদের জন্যে অন্য কোনো অভিভাবক নেই। তারপর তোমাদেরকে সাহায্য করা হবে না। (১১. হুদ : ১১৩)
- ব্যাখ্যা
(১১৪) হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ফজর ও আসর আর মাগরীব ও এশার সময় নামায প্রতিষ্ঠিত করুন। নিশ্চয় ভালো কাজ, মন্দ কাজকে দূর করে দেয়। এ কুরআন তাদের জন্যে একটি স্মরণীয় উপদেশ, যারা আল্লাহকে স্মরণ করে। (১১. হুদ : ১১৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১৬) সুতরাং তোমাদের আগের জাতিগুলির মধ্যে থেকে কেনো এমন সৎ লোকজন অবশিষ্ট রইলো না, যারা পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করা হতে বাধা দিতো? তবে তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন ছিলো যাদেরকে আমি শাস্তি থেকে রক্ষা করেছিলাম, এরা ছাড়া বাকী সবাই অন্যায়কারী ছিলো। সুতরাং যারা মানুষের প্রতি অন্যায় করেছিলো, তারা ঐ ভোগ বিলাসের পিছনে লেগে থাকতো, যে ভোগ বিলাস তাদের জন্যে দেওয়া হয়েছিলো। বস্তুত তারা একটি অপরাধী জাতি ছিলো। (১১. হুদ : ১১৬)
- ব্যাখ্যা