(৯৮) ফিরআউন কিয়ামতের দিন তার জাতির আগে থাকবে আর সে তাদেরকে দোযখের আগুনে নামিয়ে দিবে। যেখানে তাদেরকে নামানো হবে, অবশ্যই সেই আগুনের গর্ত অতি নিকৃষ্ট হবে। (১১. হুদ : ৯৮)
- ব্যাখ্যা
(৯৯) এই পৃথিবীর মধ্যে এবং কিয়ামতের দিনে তাদের পিছনে অভিশাপ রয়েছে। যে দোযখ পুরস্কার হিসেবে তাদেরকে দেওয়া হবে, তা কতই না নিকৃষ্ট পুরস্কার হবে! (১১. হুদ : ৯৯)
- ব্যাখ্যা
(১০০) এই হচ্ছে জনপদ সমূহের কিছু সংবাদ, যা আমি আপনার কাছে বর্ণনা করলাম। এগুলোর মধ্যে কোনটি এখনও বর্তমান দাঁড়িয়ে আছে আর কোনটির শিকড় কেটে ফেলা হয়েছে। (১১. হুদ : ১০০)
- ব্যাখ্যা
(১০১) আমি তাদের প্রতি অন্যায় করিনি, কিন্তু তারা তাদের নিজেদের প্রতিই অন্যায় করেছিলো। সুতরাং যখন আপনার প্রভুর শাস্তির আদেশ তাদের উপরে এসে পৌঁছালো, তখন তাদের ঐ সকল দেবতারা তাদের জন্যে সামান্যতম কোনো কাজে আসেনি, যাদেরকে তারা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে আহবান করতো। আর তারা তাদের নিজেদের জন্যে ধ্বংস ব্যতীত অন্য কিছুই বৃদ্ধি করেনি। (১১. হুদ : ১০১)
- ব্যাখ্যা
(১০২) যখন কোনো জনপদ অন্যায়কারী হয়ে যায়, তখন আপনার প্রভুর তাদেরকে এইভাবেই পাকড়াও করেন। নিশ্চয় তাঁর পাকড়াও খুবই বেদনাদায়ক, বড়ই কঠিন। (১১. হুদ : ১০২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৩) নিশ্চয় এ সকল ঘটনা সমূহের মধ্যে তার জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যে ব্যক্তি পরকালের শাস্তিকে ভয় করে। এই কিয়ামত মানুষকে তাঁর নিকট সমবেত করার দিন হবে আর এই কিয়ামত মানুষের সকল কাজের সাক্ষ্যদানের দিন হবে। (১১. হুদ : ১০৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৫) যখন বিচারের দিনটি আসবে, তখন আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কেউ কোনো কথা বলতে পারবে না। সুতরাং এই সকল মানুষের মধ্যে কেউ হবে হতভাগ্য আর কেউ হবে সৌভাগ্যবান। (১১. হুদ : ১০৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৭) যতক্ষণ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল বিদ্যমান থাকবে, ততদিন তারা ঐ দোযখের মধ্যে চিরকাল থাকবে, তবে যদি না, আপনার প্রভু তাদের জন্যে অন্য কিছু ইচ্ছা করেন। নিশ্চয় আপনার প্রভু তাই করে থাকেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন। (১১. হুদ : ১০৭)
- ব্যাখ্যা
(১০৮) আর তাদের ক্ষেত্রে, যারা সৌভাগ্যবান হবে, তারা বেহেশতের মধ্যে থাকবে। যতক্ষণ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল বিদ্যমান থাকবে, ততদিন তারা ঐ বেহেশতের মধ্যে চিরকাল থাকবে, তবে যদি না, আপনার প্রভু তাদের জন্যে অন্য কিছু ইচ্ছা করেন। বেহেশতের মধ্যে আল্লাহর দানের ধারাবাহিকতা কখনো ছিন্ন হবে না। (১১. হুদ : ১০৮)
- ব্যাখ্যা