(৮৯) হে আমার জাতি! আমার সঙ্গে বিরোধিতা করে, তোমাদেরকে যেনো অপরাধী না হতে হয়। ফলে তোমাদের উপরে তাদের মতো ঘটনা ঘটে, যা নূহের জাতির উপরে অথবা হূদের জাতির উপরে অথবা সালেহের জাতির উপরে ঘটেছিলো। আর লূতের জাতি তো তোমাদের থেকে খুব বেশী সময়ের দূরের নয়। (১১. হুদ : ৮৯)
- ব্যাখ্যা
(৯০) তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। তারপর তোমরা তাঁর দিকে ফিরে এসো। নিশ্চয় আমার প্রভু অতি দয়ালু, অতি প্রেমময়।” (১১. হুদ : ৯০)
- ব্যাখ্যা
(৯১) তারা বললো, “হে শুআইব! আপনি যা বলেন তার অধিকাংশ কথাই আমরা বুঝি না। নিশ্চয় আমরা আপনাকে আমাদের মধ্যে দুর্বল রূপে দেখছি। যদি আপনার বংশের লোকজন না থাকতো, অবশ্যই আমরা আপনাকে পাথর মেরে হত্যা করতাম। আপনি আমাদের উপরে মোটেই শক্তিশালী ব্যক্তি নন।” (১১. হুদ : ৯১)
- ব্যাখ্যা
(৯২) শুআইব বললেন, “হে আমার জাতি! আমার বংশের লোকজন কি তোমাদের কাছে আল্লাহর চেয়েও বেশী প্রভাবশালী হয়ে গেলো? আর তোমরা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে আল্লাহকে তোমাদের পিছনে ফেলে রেখেছো। নিশ্চয় তোমরা যা করো, আমার প্রভু আল্লাহ তা পরিবেষ্টন করে আছেন। (১১. হুদ : ৯২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯৩) হে আমার জাতি! তোমরা তোমাদের নিজ স্থানে কাজ করে যাও, নিশ্চয় আমিও কাজ করে যাচ্ছি। তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে, কার উপরে শাস্তি আসবে, যে শাস্তি তাকে লাঞ্ছিত করবে আর কে হচ্ছে মিথ্যাবাদী। সুতরাং তোমরা অপেক্ষা করো, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষা করছি।” (১১. হুদ : ৯৩)
- ব্যাখ্যা
(৯৪) যখন আমার শাস্তির নির্দেশ এলো, তখন আমি আমার অনুগ্রহে শুআইবকে ও বিশ্বাসীদেরকে উদ্ধার করেছিলাম। আর যারা মানুষের প্রতি অত্যাচার করেছিলো তাদেরকে এক মহা গর্জন পাকড়াও করেছিলো। ফলে তারা তাদের ঘরের মধ্যে এমন ভাবে উপুড় হয়ে পড়ে রইলো যে, (১১. হুদ : ৯৪)
- ব্যাখ্যা