(৮২) তারপর যখন আমার শাস্তির নির্দেশ এলো, তখন আমি ঐ জনপদের উপরের দিককে তার নীচের দিকে উল্টিয়ে দিলাম। আমি তাদের উপরে স্তরে স্তরে এমন কাঁকর পাথর বর্ষণ করলাম যে, (১১. হুদ : ৮২)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) যার প্রতিটি পাথর আপনার প্রভুর কাছে চিহ্নিত ছিলো। আর ঐ পাপিরা, মক্কার এই সকল অন্যায়কারীদের থেকে খুব বেশী সময়ের দূরের নয়। (১১. হুদ : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) আমি মাদইয়ান বাসীর নিকট তাদের ভাই শুআইবকে প্রেরণ করেছিলাম। শুআইব বলেছিলেন, “হে আমার জাতি! তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো, তোমাদের জন্যে তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। তোমরা মাপে ও ওজনে কম দিও না। নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে এখন ভালো অবস্থায়ই দেখছি। নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্যে এমন এক দিনের শাস্তির আশঙ্কা করছি, যা তোমাদেরকে চার দিক থেকে ঘিরে ফেলবে। (১১. হুদ : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮৫) হে আমার জাতি! তোমরা ন্যায় সঙ্গত ভাবে পুরো মাপ ও ওজন দিবে। তোমরা কোনো মানুষকে তাদের জিনিসপত্রে কম দিয়ো না। আর তোমরা অশান্তি সৃষ্টিকারী হয়ে পৃথিবীর মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করো না। (১১. হুদ : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
(৮৬) যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হও, তবে মানুষের সম্পদের অধিকার আদায়ের পর আল্লাহ প্রদত্ত যে সম্পদ বাকি থাকে, তা তোমাদের জন্যে উত্তম। বস্তুত আমি তোমাদের উপরে রক্ষক নই।” (১১. হুদ : ৮৬)
- ব্যাখ্যা
(৮৭) তারা বললো, “হে শুআইব! আপনার নামায কি আপনাকে এই নির্দেশ দেয় যে, আমরা ঐসব উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করবো, আমাদের পিতৃ-পুরুষরা যাদের উপাসনা করতো অথবা এই নির্দেশ দেয় যে, আমাদের সম্পদের ব্যাপারে যা খুশি আমরা করে থাকি, তা আমরা পরিত্যাগ করবো? আমরা তো দেখছি যে, আপনি অতি সহনশীল ব্যক্তি ও সৎপথের পথিক হয়ে গেছেন!” (১১. হুদ : ৮৭)
- ব্যাখ্যা
(৮৮) শুআইব বললেন, “হে আমার জাতি! তোমরা কি ভেবে দেখেছো যে, আমি যদি আমার প্রভু আল্লাহর পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকি এবং তিনি যদি তাঁর পক্ষ থেকে উত্তম জীবিকা আমাকে দান করে থাকেন, তবে কি আমি আল্লাহর অবাধ্য হবো? আমি চাই না যে, আমি তোমাদের পিছনে আড়ালে গিয়ে, এমন কাজ করি, যে কাজের প্রতি আমি তোমাদেরকে নিষেধ করে থাকি। আমি যতটুকু সাধ্যমত করতে পারি, ততটুকু তোমাদেরকে সংস্কার করতে চাই, এ ছাড়া আমি অন্য কিছুই চাই না। কেবল মাত্র আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত আমার কাজ করার কোনো সামর্থ্য নাই। আমি তাঁর উপরেই নির্ভর করি আর আমি তাঁর দিকেই অভিমুখী। (১১. হুদ : ৮৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস