(৭২) সারা বললেন, “হায় আমার আফসোস! আমি কি সন্তান জন্ম দিবো, যখন আমি বৃদ্ধা হয়ে গেছি আর এ আমার স্বামীও যে বৃদ্ধ? নিশ্চয় এটি একটি আশ্চর্য ব্যাপার।” (১১. হুদ : ৭২)
- ব্যাখ্যা
(৭৩) ফেরেশতারা সারাকে বললো, “আপনি কি আল্লাহর নির্দেশ সম্পর্কে অবাক হচ্ছেন? হে ইব্রাহীমের গৃহের অধিবাসীরা, আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর কল্যাণ আপনাদের উপরে রয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন প্রশংসিত, সন্মানিত।” (১১. হুদ : ৭৩)
- ব্যাখ্যা
(৭৬) আমি বললাম, “হে ইব্রাহীম! তুমি এ ধারণা থেকে বিরত হও। নিশ্চয় তোমার প্রভুর নির্দেশ এসে গেছে। নিশ্চয় তাদের উপরে এমন শাস্তি আসবে, যে শাস্তিকে কেউ প্রতিহত করতে পারবে না।” (১১. হুদ : ৭৬)
- ব্যাখ্যা
(৭৭) যখন আমার ফেরেশতারা লূতের কাছে আসলো, তখন তিনি তাদের ব্যাপারে দুচিন্তাগ্রস্ত হলেন এবং তিনি তাদেরকে রক্ষা করার ব্যাপারে অসহায় বোধ করলেন। লূত বললেন, “আজ এ অতি কঠিন দিন!” (১১. হুদ : ৭৭)
- ব্যাখ্যা
(৭৮) লূতের জাতির লোকেরা উদভ্রান্ত হয়ে তাঁর কাছে এলো। আগে থেকেই তারা কুকর্মে লিপ্ত ছিলো। লূত বললেন, “হে আমার জাতি! এরা আমার জাতির কন্যারা রয়েছে, এরা তোমাদের জন্যে বিয়ে করার ব্যাপারে অধিক পবিত্র। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো আর আমার মেহমানদের ব্যাপারে আমাকে লজ্জিত করো না। তোমাদের মধ্যে কি কোনো ভালো মানুষ নেই?” (১১. হুদ : ৭৮)
- ব্যাখ্যা
(৭৯) লূতের জাতির লোকেরা বললো, “তুমি অবশ্যই জানো যে, তোমার জাতির কন্যাদের ব্যাপারে আমাদের কোনো দাবি নেই। আর আমরা কি চাই, নিশ্চয় তুমি তা ভালো করেই জানো।” (১১. হুদ : ৭৯)
- ব্যাখ্যা
(৮১) ফেরেশতারা বললো, “হে লূত! নিশ্চয় আমরা আপনার প্রভুর প্রেরিত দূত। তারা কখনোই আপনার কাছে পৌঁছাতে পারবে না। সুতরাং আপনি আপনার পরিবারসহ রাতের এই প্রহরের মধ্যে যাত্রা করুন। আপনাদের মধ্যে কেউ যেনো পিছনে ফিরে না তাকায়। তবে আপনার স্ত্রী আপনাদের সাথে যাবে না, নিশ্চয় আপনার স্ত্রীর উপরেও ঐ শাস্তি আসবে, যে শাস্তি এই পাপিদের উপরে আসবে। নিশ্চয় তাদের নির্ধারিত সময় হচ্ছে ভোর বেলা। ভোর কি খুব নিকটে নয়?” (১১. হুদ : ৮১)
- ব্যাখ্যা