(৬৩) সালেহ বললেন, “হে আমার জাতি! তোমরা কি ভেবে দেখেছো, আমি যদি আমার প্রভু পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকি এবং তিনি যদি তাঁর পক্ষ থেকে আমাকে অনুগ্রহ দান করে থাকেন, তবে কে আমাকে আল্লাহর শাস্তি থেকে সাহায্য করবে, যদি আমি তাঁর অবাধ্যতা করি? সুতরাং তোমরা তো তখন আমার ক্ষতি ছাড়া অন্য কিছুই বৃদ্ধি করবে না। (১১. হুদ : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) হে আমার জাতি! এটি হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ হতে একটি উটনী, তোমাদের জন্যে একটি নিদর্শন স্বরূপ। সুতরাং তোমরা এটিকে ছেড়ে দাও, এই উটনী আল্লাহর মাটির মধ্যে চরে খাবে। আর তোমরা তাকে মন্দভাবে স্পর্শ করো না, তাহলে আসন্ন শাস্তি তোমাদেরকে পাকড়াও করবে।” (১১. হুদ : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(৬৫) কিন্তু তারা ঐ উটনীকে হত্যা করলো, তখন সালেহ বললেন, “তোমরা তোমাদের ঘরের মধ্যে তিন দিন জীবন উপভোগ করে নাও, এ একটি শাস্তির প্রতিশ্রুতি যা কখনোই মিথ্যা হবে না।” (১১. হুদ : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৬) তারপর যখন আমার শাস্তির নির্দেশ এলো, তখন সালেহকে ও বিশ্বাসীদেরকে আমার অনুগ্রহে সেই দিনের অপমান থেকে উদ্ধার করেছিলাম। নিশ্চয় আপনার প্রভু আল্লাহ হচ্ছেন সর্বশক্তিমান, পরাক্রমশালী। (১১. হুদ : ৬৬)
- ব্যাখ্যা
(৬৭) আর যারা মানুষের প্রতি অত্যাচার করেছিলো, ভয়ঙ্কর গর্জন তাদেরকে পাকড়াও করলো। ফলে তারা তাদের ঘরে মধ্যে এমন ভাবে উপুর হয়ে পড়ে রইলো যে, (১১. হুদ : ৬৭)
- ব্যাখ্যা
(৬৮) যেনো তারা কখনো সেখানে বসবাস করেনি। তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় ছামূদ জাতি তাদের প্রভু আল্লাহকে অস্বীকার করেছিলো। তোমরা জেনে রেখো যে, ছামূদ জাতির জন্যে ধ্বংস নির্ধারিত ছিলো। (১১. হুদ : ৬৮)
- ব্যাখ্যা
(৬৯) অবশ্যই আমার ফেরেশতারা ইব্রাহীমের কাছে সুসংবাদ নিয়ে এসেছিলেন। ফেরেশতারা বলেছিলেন, “আপনার প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক”। ইব্রাহীম বললেন, “আপনাদের প্রতিও শান্তি বর্ষিত হোক”। তারপর ইব্রাহীম দ্রুত একটি ভুনা করা বাছুর নিয়ে এলেন। (১১. হুদ : ৬৯)
- ব্যাখ্যা
(৭০) কিন্তু যখন ইব্রাহীম দেখলেন যে, ঐ খাবারের দিকে তাদের হাত প্রসারিত হচ্ছে না, তখন তিনি তাদেরকে সন্দেহ করলেন এবং তিনি তাঁদের সম্পর্কে ভয় অনুভব করলেন। ফেরেশতারা বললো, “আপনি ভয় পাবেন না। নিশ্চয় আমরা লূতের জাতির প্রতি প্রেরিত হয়েছি।” (১১. হুদ : ৭০)
- ব্যাখ্যা
(৭১) ইব্রাহীমের স্ত্রী সারা নিকটেই দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং সারা হাসলেন, তখন আমি তাঁকে ইসহাকের এবং ইসহাকের পরে ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম। (১১. হুদ : ৭১)
- ব্যাখ্যা