(৫৪) আমাদের বিশ্বাস থেকে আমরা বলছি যে, আমাদের কোনো দেবতা, তোমার উপরে খারাপ ভাবে ভর করেছেন।” হূদ বললেন, “নিশ্চয় আমি আল্লাহকে সাক্ষী করছি আর তোমরাও সাক্ষী থেকো যে, যাদেরকে তোমরা আল্লাহর সাথে অংশীদার করো, আমি তাদের থেকে সম্পর্কহীন, (১১. হুদ : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) তবে আল্লাহকে বাদ দিয়ে কেননা আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্ক সর্বদাই থাকবে। সুতরাং তোমরা সবাই মিলে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করো, তারপর তোমরা আমাকে কোনো অবকাশ দিয়ো না। (১১. হুদ : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৬) নিশ্চয় আমি আল্লাহর উপরেই নির্ভর করি, যিনি আমার প্রভু ও তোমাদেরও প্রভু। পৃথিবীর বুকে বিচরণশীল সকল প্রাণী আল্লাহর আয়ত্ত্বাধীন। নিশ্চয় আমার প্রভু সরল পথের উপরে অধিষ্ঠিত, সুতরাং এ পথেই তোমরা আল্লাহকে অনুসন্ধান করো। (১১. হুদ : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
(৫৭) কিন্তু তোমরা যদি ফিরে যাও, তবে তোমরা জেনে রেখো, যে বাণী দিয়ে আমাকে তোমাদের কাছে পাঠানো হয়েছিলো, আমি তোমাদের কাছে ঐ বাণীকে পৌঁছে দিয়েছি। আমার প্রভু তোমাদের থেকে পৃথক কোনো জাতিকে স্থলাভিষিক্ত করবেন। তোমরা আল্লাহর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। নিশ্চয় আমার প্রভু আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে তত্ত্বাবধায়ক।” (১১. হুদ : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) আমার শাস্তির আদেশ যখন তাদের কাছে উপস্থিত হলো, তখন আমি নিজ অনুগ্রহে হূদকে ও যারা তাঁর সঙ্গে আমার প্রতি বিশ্বাস করেছিলো, তাদেরকে উদ্ধার করেছিলাম এবং আমি তাদেরকে কঠিন শাস্তি থেকে উদ্ধার করেছিলাম। (১১. হুদ : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) এই ছিলো আদ জাতি। তারা তাদের প্রভুর নিদর্শন সমূহকে অস্বীকার করেছিলো ও তাঁর রসূলগণের অবাধ্যতা করেছিলো। আর তারা প্রত্যেক উদ্ধত বিরোধীদের আদেশকে অনুসরণ করেছিলো। (১১. হুদ : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬০) অভিশাপকে এই দুনিয়ার মধ্যে আদ জাতির পিছনে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। আর কিয়ামতের দিনেও অভিশাপকে আদ জাতির পিছনে লাগিয়ে দেওয়া হবে। তোমরা জেনে রেখো, নিশ্চয় আদ জাতি তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছিলো। তোমরা জেনে রেখো, আদ জাতি ধ্বংস হয়েছে, যারা হূদের সম্প্রদায় ছিলো। (১১. হুদ : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) আমি ছামূদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালেহকে প্রেরণ করেছিলাম। সালেহ বলেছিলেন, “হে আমার জাতি! তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো, তোমাদের জন্যে তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে গড়ে তুলেছেন আর তার মধ্যেই তোমাদেরকে বসবাস করিয়েছেন। সুতরাং তাঁর কাছেই তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করো। তারপর তাঁর দিকেই তোমরা ফিরে চলো। নিশ্চয় আমার প্রভু তোমাদের নিকটবর্তী, ও তিনি প্রার্থনা কবুলকারী।” (১১. হুদ : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) তারা বললো, “হে সালেহ! অবশ্যই তুমি এর আগে আমাদের কাছে বড় আশার পাত্র ছিলে। তুমি কি আমাদেরকে তাদেরকে উপাসনা করতে নিষেধ করছো, যাদেরকে আমাদের পিতৃ-পুরুষরা উপাসনা করতো? অবশ্যই আমরা ঐ সম্পর্কে সন্দেহের মধ্যে রয়েছি, যার প্রতি তুমি আমাদেরকে আহবান করছো, নিশ্চয় তা বড়ই সন্দেহজনক!” (১১. হুদ : ৬২)
- ব্যাখ্যা