(৪৬) আল্লাহ বললেন, “হে নূহ! নিশ্চয় কেনান তোমার পরিবারের অন্তর্ভুক্ত নয়। নিশ্চয় সে তার কাজকর্মে সৎকর্মশীল নয়। সুতরাং আমার কাছে তুমি ঐ সম্পর্কে প্রার্থনা করো না, যে সম্পর্কে তোমার কোনো জ্ঞান নেই। নিশ্চয় আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি যে, তুমি অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।” (১১. হুদ : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) নূহ বললেন, “হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি যে, আপনার কাছে এমন প্রার্থনা করা হতে, যে সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান নেই। আপনি যদি আমাকে ক্ষমা না করেন ও আমার প্রতি দয়া না করেন, তবে আমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো।” (১১. হুদ : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) বলা হলো, “হে নূহ! তোমার উপরে ও যারা তোমার সাথে রয়েছে, সেই জাতির উপরে তুমি আমার পক্ষ থেকে আশীর্বাদ নিয়ে ও শান্তির সাথে অবতরণ করো। ভবিষ্যতে এমন জাতিরাও হবে যাদেরকে আমি জীবিকা দিবো, তারপর যদি তারা অবাধ্যতা করে, তবে আমার পক্ষ থেকে বেদনাদায়ক শাস্তি তাদেরকে স্পর্শ করবে।” (১১. হুদ : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) এসব হচ্ছে অদৃশ্য সম্পর্কে সংবাদ, যা আমি আপনার কাছে ওহী করছি। এর আগে এসব সংবাদ সম্পর্কে আপনার এবং আপনার জাতির জানা ছিলো না। সুতরাং আপনি ধৈর্য্যধারণ করুন। নিশ্চয় পরহেযগারদের জন্যেই শুভ পরিণাম রয়েছে। (১১. হুদ : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) আমি আদ জাতির প্রতি, তাদের ভাই হূদকে প্রেরণ করেছিলাম। হূদ বলেছিলেন, “হে আমার জাতি! তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো, তোমাদের জন্যে তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। আমি তো দেখছি যে, তোমরা মিথ্যা রচনাকারী। (১১. হুদ : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) হে আমার জাতি! আমি এ আহবানের জন্যে তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান কেবল মাত্র আল্লাহর কাছে ব্যতীত অন্য কারো কাছেই নেই, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। তবে কি তোমরা আল্লাহর বাণীকে বুঝবে না? (১১. হুদ : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫২) হে আমার জাতি! তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, তারপর তাঁর দিকেই তোমরা ফিরে এসো। তিনি আকাশকে তোমাদের প্রতি বৃষ্টি ধারাসহ প্রেরণ করবেন এবং তোমাদের শক্তির উপরে আরো শক্তি বাড়িয়ে দিবেন। তোমরা আল্লাহর বিধান থেকে অপরাধী হয়ে ফিরে যেও না।” (১১. হুদ : ৫২)
- ব্যাখ্যা
(৫৩) তারা বললো, “হে হূদ! তুমি আমাদের কাছে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসোনি। আমরা তোমার কথার কারণে আমাদের দেবতাদেরকে পরিত্যাগ করবো না। আর আমরা তোমার প্রতি কখনোই বিশ্বাসী হবো না। (১১. হুদ : ৫৩)
- ব্যাখ্যা