(২০) এরা পৃথিবীর মধ্যে তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে আল্লাহকে অপারগ করতে পারবে না। আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাদের জন্যে কোনো অভিভাবক নেই। তাদের জন্যে শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে। কেননা তারা কুরআনকে শুনতে পারতো না এবং সত্য নিদর্শন সমূহকে দেখতেও পারতো না। (১১. হুদ : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২৩) নিশ্চয় যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে এবং তাদের প্রভুর কাছে বিনয়ী হয়, এরাই বেহেশতের অধিবাসী, তারা তাতে চিরকাল থাকবে। (১১. হুদ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী দল দুইটির উপমা হচ্ছে, অবিশ্বাসীরা অন্ধ ও বধিরের মতো আর বিশ্বাসীরা হচ্ছে এমন, যে ব্যক্তি দেখতে পায় ও শুনতে পায়। উপমায় উভয় দল কি এক সমান? তবুও কি তোমরা ভেবে দেখবে না? (১১. হুদ : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তখন নূহের জাতির অবিশ্বাসী প্রধানরা বললো, “আমরা তো তোমাকে আমাদের মতো একজন মানুষ ব্যতীত অন্য কিছুই দেখছি না। আমরা তোমাকে দেখছি না যে, তোমাকে এমন কেউ অনুসরণ করে, কিন্তু তারা ছাড়া, যারা আমাদের মধ্যে অধম ও অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন। আর আমাদের উপরে তোমাদের কোনো প্রাধান্য দেখছি না। বরং আমরা তোমাদেরকে মিথ্যাবাদী মনে করি।” (১১. হুদ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) নূহ বললেন, “হে আমার জাতি! তোমরা কি ভেবে দেখেছো যে, আমি যদি আমার প্রভুর পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকি এবং তিনি যদি আমাকে তাঁর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ স্বরূপ নবুওয়াত দিয়ে থাকেন, অথচ এ স্পষ্ট প্রমাণের প্রতি তোমাদেরকে অন্ধ করা হয়েছে, তবে আমি কি তোমাদেরকে এ স্পষ্ট প্রমাণের প্রতি বাধ্য করতে পারি, যখন তোমরা এ স্পষ্ট প্রমাণকে অপছন্দ করো? (১১. হুদ : ২৮)
- ব্যাখ্যা