(৬) পৃথিবীর মধ্যে এমন কোনো প্রাণী নেই, যার জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহর উপরে নয়। তিনি তাদের স্থায়ী ঠিকানা পরকাল ও সাময়িক ঠিকানা ইহকাল সম্পর্কে জানেন। সব কিছুই এক সুস্পষ্ট গ্রন্থের মধ্যে লিখিত রয়েছে। (১১. হুদ : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টির সময় তাঁর সিংহাসন পানির উপরে ছিলো। আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন যেনো তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন যে, তোমাদের মধ্যে কে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। আপনি যদি তাদেরকে বলেন যে, “নিশ্চয় মৃত্যুর পরে তোমাদেরকে পুনরায় জীবিত করা হবে”, তখন অবিশ্বাসীরা অবশ্যই বলবে যে, “এ কুরআন স্পষ্ট জাদু ব্যতীত অন্য কিছুই নয়।” (১১. হুদ : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) আমি যদি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত, তাদের থেকে শাস্তি স্থগিত রাখি, তাহলে তারা অবশ্যই উপহাস করে বলবে যে, “কোন জিনিস ঐ শাস্তিকে আটকিয়ে রেখেছে?” তোমরা শুনে রেখো, যেদিন তাদের উপরে শাস্তি এসে পড়বে, সেই দিন ঐ শাস্তিকে তাদের থেকে ফিরানো হবে না। আর তারা যে শাস্তির ব্যাপারে উপহাস করছিলো, ঐ শাস্তি তাদেরকে চার দিক থেকে ঘিরে ফেলবে। (১১. হুদ : ৮)
- ব্যাখ্যা
(১০) আবার এই মানুষকে দুঃখ কষ্ট স্পর্শ করার পরে, আমি যদি তাকে অনুগ্রহের স্বাদ গ্রহণ করাই, তখন সে বলতে থাকে যে, “আমার থেকে অমঙ্গল দূর হয়ে গেছে।” তখন সে উল্লাসে অহঙ্কারী হয়ে যায়। (১১. হুদ : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১২) যে কুরআন আপনার কাছে ওহী করা হয়েছে, তবে কি আপনি এই কুরআনের কিছু অংশ পরিত্যাগ করবেন? আর তাদের এ কথার দ্বারা আপনার অন্তরকে সঙ্কুচিত করবেন, যেহেতু তারা বলে যে, “কেনো তাঁর উপরে কোনো ধনভান্ডার অবতীর্ণ হয় না? অথবা কেনো তাঁর সাথে কোনো ফেরেশতা আসে না?” আপনি তো কেবল একজন সতর্ককারী মাত্র। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে দায়িত্বশীল। (১১. হুদ : ১২)
- ব্যাখ্যা