(৮৯) আল্লাহ বললেন, “তোমাদের উভয়ের দোয়া অবশ্যই গ্রহণ করা হয়েছে। সুতরাং তোমরা উভয়ে অটল থেকো। আর তোমরা তাদের পথ অনুসরণ করো না, যারা সত্যকে জানে না।” (১০. ইউনুস : ৮৯)
- ব্যাখ্যা
(৯০) আমি ইসরাঈলের সন্তানদেরকে সমূদ্র পার করালাম। তারপর ফিরআউন ও তার সৈন্যদল তাদেরকে নির্যাতনের উদ্দেশ্যে ও শত্রুতা বশত তাদের পিছনে ধাওয়া করলো। এমনকি যখন ফিরআউন ডুবে মরার সম্মুখীন হলো, তখন সে বললো, “আমি বিশ্বাস করছি যে, ইসরাঈলের সন্তানেরা যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছে, তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই আর আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছি।” (১০. ইউনুস : ৯০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯১) আল্লাহ বললেন, “এখন কি তুমি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করছো! অথচ অবশ্যই ইতিপূর্বে তুমি আল্লাহর প্রতি অবাধ্যতা করেছিলে ও তুমি অশান্তি সৃষ্টি করেছিলে। (১০. ইউনুস : ৯১)
- ব্যাখ্যা
(৯২) সুতরাং আজকের দিনে আমি তোমার দেহকে উদ্ধার করবো, যেনো তুমি তাদের জন্যে নিদর্শন হও, যারা তোমার পরবর্তীতে আসবে।” অথচ মানুষের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ, আমার নিদর্শন সম্পর্কে অমনোযোগী। (১০. ইউনুস : ৯২)
- ব্যাখ্যা
(৯৩) আমি অবশ্যই ইসরাঈলের সন্তানদেরকে উত্তম আবাসভূমিতে বসবাস করিয়েছিলাম। তাদেরকে আমি উত্তম জীবিকা দান করেছিলাম। তারপর তারা মতবিরোধ করেনি যে পর্যন্ত না, তাদের কাছে কুরআনের জ্ঞান এলো। নিশ্চয় আপনার প্রভু কিয়ামতের দিনে তাদের মধ্যে ঐ ব্যাপারে মীমাংসা করে দিবেন, যে ব্যাপারে তারা মতবিরোধ করতো। (১০. ইউনুস : ৯৩)
- ব্যাখ্যা
(৯৪) আপনি যদি ঐ সম্পর্কে সন্দেহের মধ্যে থাকেন, যে কুরআন আমি আপনার কাছে অবতীর্ণ করেছি, তাহলে আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন, যারা আপনার আগে ধর্ম গ্রন্থ পাঠ করেছে। আপনার কাছে আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে অবশ্যই সত্য এসেছে। সুতরাং আপনি সন্দেহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। (১০. ইউনুস : ৯৪)
- ব্যাখ্যা
(৯৫) আর যারা আল্লাহর বাণী সমূহকে মিথ্যা বলে, আপনি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না, তাহলে আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন। (১০. ইউনুস : ৯৫)
- ব্যাখ্যা
(৯৭) যদিও তাদের কাছে প্রতিটি নিদর্শন এসে যায় তবুও তারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করবে না, যে পর্যন্ত না, তারা বেদনাদায়ক শাস্তি দেখতে পায়। (১০. ইউনুস : ৯৭)
- ব্যাখ্যা