(৮১) তারপর যখন তারা লাঠি ও রশি নিক্ষেপ করলো, তখন মূসা বললেন, “যা কিছু তোমরা এনেছো তা সবই জাদু। নিশ্চয় আল্লাহ এ জাদুকে শীঘ্রই ব্যর্থ করে দিবেন। আল্লাহ অবাধ্যদের কাজকে সফল হতে দেন না।” (১০. ইউনুস : ৮১)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) কিন্তু ফিরআউন ও তার পরিষদবর্গের নির্যাতনের ভয়ের কারণে, মূসার জাতির কিছু সংখ্যক যুবক ব্যতীত অন্য কেউ মূসার প্রতি বিশ্বাস করেনি। নিশ্চয় ফিরআউন দেশের মধ্যে প্রভাবশালী ছিলো ও সে সীমালঙ্ঘনকারী ছিলো। (১০. ইউনুস : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) মূসা বললেন, “হে আমার জাতি! তোমরা যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে থাকো ও তোমরা মুসলমান হয়ে থাকো, তবে তোমরা তাঁর উপরেই নির্ভর করো।” (১০. ইউনুস : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
(৮৭) আমি মূসা ও তাঁর ভাইয়ের প্রতি ওহী প্রেরণ করলাম যে, “তোমরা তোমাদের জাতির জন্যে মিশরে ঘর বানাও। তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কেবলামুখী করে বানাবে। তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা করো। আর তোমরা বিশ্বাসীদেরকে বেহেশতের সুসংবাদ দাও।” (১০. ইউনুস : ৮৭)
- ব্যাখ্যা
(৮৮) মূসা বললেন, “হে আমাদের প্রভু! নিশ্চয় আপনি ফিরআউন ও তার পরিষদবর্গকে পার্থিব জীবনে শোভা ও সম্পদ দান করেছেন। হে আমাদের প্রভু! আপনি কি তাদেরকে এজন্যেই সম্পদ দান করেছেন যে, তারা মানুষকে আপনার পথ থেকে পথভ্রষ্ট করবে। হে আমাদের প্রভু! আপনি তাদের সম্পদকে ধ্বংস করে দিন এবং তাদের অন্তরগুলোকে কাঠোর করে দিন, যাতে করে তারা ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার প্রতি বিশ্বাস না করে, যতক্ষণ পর্যন্ত না, তারা বেদনাদায়ক শাস্তি দেখে নেয়।” (১০. ইউনুস : ৮৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস