(৫৪) পৃথিবীর মধ্যে যে সম্পদ আছে, তা যদি প্রত্যেক অন্যায়কারী লোকের জন্যে হতো, সে অবশ্যই ঐ সম্পদের বিনিময়ে শাস্তি থেকে মুক্তি চাইতো। তারা যখন শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা অনুতাপ করবে। তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত ভাবে মীমাংসা করা হবে আর তাদের উপরে কোনো অন্যায় করা হবে না। (১০. ইউনুস : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) তোমরা শুনে রেখো, নিশ্চয় নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে, সব কিছুই আল্লাহর জন্যে। তোমরা শুনে রেখো, নিশ্চয় আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। কিন্তু অবিশ্বাসীদের অনেকেই এই বিষয়টি জানে না। (১০. ইউনুস : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) আপনি বলুন, “তোমাদের কাছে এ কুরআন এসেছে আল্লাহর করুণার কারণে ও তাঁর দয়ার কারণে।” সুতরাং এ কুরআনের কারণে তাদের আনন্দ করা উচিত। যে সম্পদ তারা সঞ্চয় করে, এ কুরআন ঐ সম্পদের চাইতে উত্তম। (১০. ইউনুস : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) আপনি বলুন, “যা কিছু আল্লাহ তোমাদের জন্যে জীবিকা হিসেবে অবতীর্ণ করেছেন, তারপর তোমরা তার মধ্যে কোনোটাকে নিষিদ্ধ ও কোনোটাকে বৈধ বানিয়েছো, তোমরা কি এ অপরাধ সম্পর্কে কখনো ভেবে দেখেছো?” আপনি বলুন, “আল্লাহ কি তোমাদের জন্যে অনুমতি দিয়েছেন, না তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা উদ্ভাবন করছো?” (১০. ইউনুস : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬০) যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা উদ্ভাবন করে, তারা কিয়ামতের দিন সম্পর্কে কি ভাবছে? নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহকারী, কিন্তু তাদের অধিকাংশই আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (১০. ইউনুস : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) আপনি যে কোনো অবস্থার মধ্যেই থাকেন না কেনো এবং কুরআনের যে কোনো অংশ থেকেই পাঠ করেন না কেনো কিংবা হে মানুষ! যে কোনো কাজই তোমরা করো না কেনো অথচ আমি ঐ সময় তোমাদের উপরে সাক্ষী থাকি। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের মধ্যে অণু পরিমাণ কোনো কিছুই আপনার প্রভুর কাছে গোপন নেই। না এ অণু পরিমাণের চেয়ে ক্ষুদ্র এমন কিছু আছে ও না এ অণু পরিমাণের চেয়ে বড় এমন কিছু আছে, যা লাওহে মাহফূজে সুস্পষ্ট গ্রন্থের মধ্যে নেই। (১০. ইউনুস : ৬১)
- ব্যাখ্যা