(২৬) যারা সৎকর্ম করে তাদের জন্যে বেহেশতে তাদের কর্মের প্রতিদানের চেয়েও বেশী কল্যাণ রয়েছে। তাদের মুখমন্ডলকে কোনো মলিনতা ও অপমান আবৃত করবে না। এরাই হচ্ছে বেহেশতের অধিবাসী, তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। (১০. ইউনুস : ২৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৭) আর যারা মন্দ কাজ করে, তাহলে মন্দ কাজের প্রতিফল হবে তার অনুরূপ প্রতিফল দ্বারা। তাদের মুখমন্ডলকে অপমান আবৃত করবে। আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষার জন্যে তাদের কোনো রক্ষক থাকবে না। তাদেরকে দেখলে মনে হবে যেনো তাদের মুখমন্ডল রাতের অন্ধকারের একাংশ দিয়ে আবৃত হয়েছে। এরাই হচ্ছে আগুনের অধিবাসী, তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। (১০. ইউনুস : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) যেদিন আমি তাদের সবাইকে সমবেত করবো, তারপর যারা আমার সাথে অংশীদার করেছিলো আমি তাদেরকে বলবো যে, “তোমরা ও তোমাদের অংশীদাররা স্বস্থানে দোযখের মধ্যে অবস্থান করো।” তারপর আমি তাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দিবো। তখন তাদের অংশীদাররা বলবে, “তোমরা তো কেবল মাত্র আমাদেরকেই উপাসনা করতে না। (১০. ইউনুস : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(৩০) সেখানে প্রত্যেক ব্যক্তি ঐ কাজকে যাচাই করে নিতে পারবে, যে কাজ সে ইতিপূর্বে করেছিলো। তাদেরকে তাদের প্রকৃত মালিক আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনা হবে। তাদের কাছ থেকে ঐ সকল অংশী দেবতারা বিদায় নিবে, যাদেরকে তারা মিথ্যা উদ্ভাবন করেছিলো। (১০. ইউনুস : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) আপনি বলুন, “কে তোমাদেরকে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল থেকে জীবিকা দান করেন? অথবা শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির মালিক কে? কে মৃত থেকে জীবিতকে বের করেন ও জীবিত থেকে মৃতকে বের করেন? কে পৃথিবীর সকল বিষয় সমূহ নিয়ন্ত্রণ করেন?” তখন তারা শীঘ্রই বলবে যে, “আল্লাহই এগুলো করে থাকেন।” সুতরাং আপনি বলুন, “তবে কেনো তোমরা আল্লাহকে ভয় করো না?” (১০. ইউনুস : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) সুতরাং আল্লাহই তোমাদের প্রকৃত প্রভু। সুতরাং তোমরা শুনে রেখো, সত্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিইবা অবশিষ্ট থাকে? সুতরাং তোমরা কোথায় ফিরে যাচ্ছো? (১০. ইউনুস : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) যারা আল্লাহর প্রতি অবাধ্য হয়, তাদের বিরুদ্ধে এইভাবে আপনার প্রভুর এই বাণী সত্যে পরিণত হয়েছে যে, “তারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করবে না।” (১০. ইউনুস : ৩৩)
- ব্যাখ্যা