শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


إِنَّ ٱلَّذِينَ لَا يَرۡجُونَ لِقَآءَنَا وَرَضُواْ بِٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَٱطۡمَأَنُّواْ بِهَا وَٱلَّذِينَ هُمۡ عَنۡ ءَايَٰتِنَا غَٰفِلُونَ ٧
(৭) নিশ্চয় যারা আমার সাথে সাক্ষাতের আশা করে না ও পার্থিব জীবনেই সন্তুষ্ট থাকে ও প্রশান্তি অনুভব করে আর যারা আমার নির্দশন সমূহ সম্পর্কে অমনোযোগী, (১০. ইউনুস : ৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

أُوْلَٰٓئِكَ مَأۡوَىٰهُمُ ٱلنَّارُ بِمَا كَانُواْ يَكۡسِبُونَ ٨
(৮) সুতরাং এরাই তারা, যাদের ঠিকানা হচ্ছে আগুন। ইহা এ কারণে যে, যে পাপ তারা অর্জন করেছিলো, তার প্রতিদান স্বরূপ। (১০. ইউনুস : ৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ يَهۡدِيهِمۡ رَبُّهُم بِإِيمَٰنِهِمۡۖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهِمُ ٱلۡأَنۡهَٰرُ فِي جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ ٩
(৯) নিশ্চয় যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাদের বিশ্বাসের কারণে তাদের প্রভু তাদেরকে পথ প্রদর্শন করবেন। তাদেরকে এমন অনুগ্রহে ভরা বেহেশতের মধ্যে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। (১০. ইউনুস : ৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

دَعۡوَىٰهُمۡ فِيهَا سُبۡحَٰنَكَ ٱللَّهُمَّ وَتَحِيَّتُهُمۡ فِيهَا سَلَٰمٞۚ وَءَاخِرُ دَعۡوَىٰهُمۡ أَنِ ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ١٠
(১০) ঐ বেহেশতের মধ্যে তাদের ধ্বনি হবে, “হে আল্লাহ, আপনিই পবিত্র?” আর সেখানে তাদের স্বাগতম হবে, “তোমাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক”। আর তাদের শেষ ধ্বনি হবে যে, “সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর জন্যে।” (১০. ইউনুস : ১০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

۞وَلَوۡ يُعَجِّلُ ٱللَّهُ لِلنَّاسِ ٱلشَّرَّ ٱسۡتِعۡجَالَهُم بِٱلۡخَيۡرِ لَقُضِيَ إِلَيۡهِمۡ أَجَلُهُمۡۖ فَنَذَرُ ٱلَّذِينَ لَا يَرۡجُونَ لِقَآءَنَا فِي طُغۡيَٰنِهِمۡ يَعۡمَهُونَ ١١
(১১) মানুষ যেমন তাদের নিজেদের জন্যে কল্যাণকে দ্রুত করতে চায়, আল্লাহ যদি তেমন তাদের জন্যে অকল্যাণকে দ্রুত করতেন, তাহলে তাদের প্রতিশ্রুত মেয়াদ শেষ হয়ে যেতো। সুতরাং যারা আমার সঙ্গে সাক্ষাতের আশা করে না, আমি তাদেরকে তাদের অবাধ্যতার মধ্যে হয়রানি হতে ছেড়ে দিয়ে রাখি। (১০. ইউনুস : ১১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَإِذَا مَسَّ ٱلۡإِنسَٰنَ ٱلضُّرُّ دَعَانَا لِجَنۢبِهِۦٓ أَوۡ قَاعِدًا أَوۡ قَآئِمٗا فَلَمَّا كَشَفۡنَا عَنۡهُ ضُرَّهُۥ مَرَّ كَأَن لَّمۡ يَدۡعُنَآ إِلَىٰ ضُرّٖ مَّسَّهُۥۚ كَذَٰلِكَ زُيِّنَ لِلۡمُسۡرِفِينَ مَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ ١٢
(১২) যখন মানুষকে কোনো বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে শায়িত অবস্থায়, বসা অবস্থায় ও দাঁড়ানো অবস্থায় আমাকে ডাকে। তারপর আমি যখন তার বিপদকে দূর করে দেই, তখন সে এমন ভাবে পথ চলে যেনো মনে হয়, সে আমাকে ঐ বিপদের সময়ে কখনো ডাকেনি। এইভাবে সীমালঙ্ঘন-কারীদের জন্যে তাদের কাজকে সুশোভিত করা হয়েছে। (১০. ইউনুস : ১২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَقَدۡ أَهۡلَكۡنَا ٱلۡقُرُونَ مِن قَبۡلِكُمۡ لَمَّا ظَلَمُواْ وَجَآءَتۡهُمۡ رُسُلُهُم بِٱلۡبَيِّنَٰتِ وَمَا كَانُواْ لِيُؤۡمِنُواْۚ كَذَٰلِكَ نَجۡزِي ٱلۡقَوۡمَ ٱلۡمُجۡرِمِينَ ١٣
(১৩) অবশ্যই তোমাদের পূর্বে আমি অনেক অন্যায়কারী জাতিকে ধ্বংস করেছি। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু কিছুতেই তারা আমার প্রতি বিশ্বাস করছিলো না। এইভাবে আমি অপরাধী জাতিকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। (১০. ইউনুস : ১৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ثُمَّ جَعَلۡنَٰكُمۡ خَلَٰٓئِفَ فِي ٱلۡأَرۡضِ مِنۢ بَعۡدِهِمۡ لِنَنظُرَ كَيۡفَ تَعۡمَلُونَ ١٤
(১৪) তারপর আমি তাদের পরে তোমাদেরকে এই পৃথিবীতে প্রতিনিধি বানিয়েছি, যেনো আমি দেখতে পারি, তোমরা কেমন ভালো কাজ করো। (১০. ইউনুস : ১৪) - ব্যাখ্যা , হাদিস
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা , হাদিস

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা