(২) মানুষের জন্যে কি এটা আশ্চর্যের ব্যাপার যে, আমি তাদেরই অন্তর্ভুক্ত একজন মানুষের নিকট ওহী প্রেরণ করেছি। এই ওহী করেছি যে, “আপনি মানুষকে সতর্ক করুন। আপনি বিশ্বাসীদেরকে সুসংবাদ দান করুন যে, তাদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে সত্যিকারের পদমর্যাদা রয়েছে”? এ কথা শুনার পর অবিশ্বাসীরা বলে, “নিশ্চয় এ ব্যক্তি একজন প্রকাশ্য জাদুকর।” (১০. ইউনুস : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) নিশ্চয় তোমাদের প্রভু হচ্ছেন আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি সিংহাসনের উপরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি সিংহাসনের উপর থেকে সকল বিষয় পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি ব্যতীত কোনো সুপারিশকারী তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে না। আল্লাহই তোমাদের প্রভু, সুতরাং তোমরা তাঁরই উপাসনা করো। তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? (১০. ইউনুস : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) তাঁর দিকেই তোমাদের সকলকে ফিরে যেতে হবে। আল্লাহর এই প্রতিশ্রুতি ধ্রুব সত্য। নিশ্চয় তিনিই প্রথমবার সব কিছুকে সৃষ্টি করেছেন, আবার তাদেরকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন, যেনো তিনি বিশ্বাসীদেরকে ও সৎকর্মীদেরকে উত্তম প্রতিদান দিতে পারেন। আর অবিশ্বাসীদের জন্যে ফুটন্ত পানীয় ও বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। এটা এ কারণে যে, তারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করেছিলো। (১০. ইউনুস : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) তিনিই আল্লাহ, যিনি সূর্যকে উজ্জ্বল ও চাঁদকে আলোকময় করেছেন। আর চাঁদের জন্যে অবস্থান সমূহ নির্ধারণ করেছেন, যেনো তোমরা বছর সমূহের গণনা ও মাস সমূহের হিসাব জানতে পারো। আল্লাহ চাঁদের অবস্থান সমূহ সত্য উদ্দেশ্য ব্যতীত সৃষ্টি করেননি। তিনি নিদর্শন সমূহ ঐ জাতির জন্যে বিস্তারিত বর্ণনা করেন, যারা আল্লাহর বিধান সম্পর্কে জ্ঞান রাখে। (১০. ইউনুস : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) নিশ্চয় রাত ও দিনের পরিবর্তনের মধ্যে, আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের মধ্যে যা কিছু সৃষ্টি করেছেন এসবের মধ্যে ঐ জাতির জন্যে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে, যারা আল্লাহকে ভয় করে। (১০. ইউনুস : ৬)
- ব্যাখ্যা