(১২৩) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! অবিশ্বাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের নিকটবর্তী তোমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করো। তারা যেনো তোমাদের মধ্যে কঠোরতা দেখতে পায়। তোমরা জেনে রেখো যে, আল্লাহ পরহেযগারদের সঙ্গে রয়েছেন। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১২৩)
- ব্যাখ্যা
(১২৪) যখনই একটি সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন দ্বিমুখীদের মধ্যে কেউ কেউ বলে যে, “এ সূরা তোমাদের বিশ্বাসীদের মধ্যে কার বিশ্বাস কতটুকু বৃদ্ধি করলো?” সুতরাং যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, এ সূরা তাদের বিশ্বাসকে বৃদ্ধি করে এবং তারা এ সূরার কারণে আনন্দিত হয়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১২৪)
- ব্যাখ্যা
(১২৫) আর যাদের অন্তরে মধ্যে ব্যাধি রয়েছে, সুতরাং এ সূরা তাদের অপবিত্রতার সঙ্গে আরো অপবিত্রতা বৃদ্ধি করে আর তারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাসী থাকা অবস্থায় মারা যায়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১২৫)
- ব্যাখ্যা
(১২৬) দ্বিমুখীরা কি দেখে না যে, প্রত্যেক বছর একবার বা দুইবার করে তাদেরকে বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে? তবুও তারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে না এবং তারা উপদেশও গ্রহণ করে না। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১২৬)
- ব্যাখ্যা
(১২৭) যখনই কোনো সূরা অবতীর্ণ হয়, দ্বিমুখীদের একজন অন্য জনের দিকে তাকায়, আর বলে, “তোমাদেরকে কি কেউ দেখছে?” তারপর তারা সরে পড়ে। আল্লাহ তাদের হৃদয়কে সত্য বিমুখ করেছেন, যেহেতু তারা এমন এক জাতি যারা কুরআনকে বুঝতে চায় না। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১২৭)
- ব্যাখ্যা
(১২৮) অবশ্যই তোমাদের কাছে তোমাদেরই মধ্যে থেকে একজন রসূল এসেছেন, রসূলের পক্ষে ঐ বিষয় বেদনাদায়ক, যা তোমাদেরকে কষ্ট দেয়। রসূল তোমাদের জন্যে মঙ্গলকামী, বিশ্বাসীদের প্রতি অতি স্নেহশীল ও অতি দয়ালু। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১২৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২৯) সুতরাং অবিশ্বাসীরা যদি ফিরে যায়, তাহলে আপনি তাদেরকে বলুন, “আল্লাহই আমার জন্যে যথেষ্ট। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। তাঁর উপরেই আমি নির্ভর করি। আর তিনি মহা সিংহাসনের অধিপতি।” (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১২৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস