(১০০) মুহাজির ও আনছারদের মধ্যে যারা সর্বপ্রথম বিশ্বাস স্থাপনে অগ্রগামী ছিলো এবং যারা এর পরে তাদেরকে নিষ্ঠার সাথে অনুসরণ করেছিলো, আল্লাহ তাদের উপরে সন্তুষ্ট ও তারাও তাঁর উপরে সন্তুষ্ট। তাদের জন্যে আল্লাহ এমন বেহেশত প্রস্তুত করে রেখেছেন, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা প্রবাহিত হয়, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। এটাই হচ্ছে মহা সাফল্য। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১০০)
- ব্যাখ্যা
(১০১) পল্লীবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে, তাদের মধ্যে দ্বিমুখীরা রয়েছে। আবার মদীনাবাসীর মধ্যেও দ্বিমুখীরা রয়েছে। তারা দ্বিমুখীতার প্রতি অনঢ়। আপনি তাদেরকে জানেন না, আমি তাদেরকে জানি। আমি শীঘ্রই তাদেরকে ইহকালে দুইবার শাস্তি দিবো। তারপর তাদেরকে পরকালের কঠোর শাস্তির দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১০১)
- ব্যাখ্যা
(১০২) অপর কিছু লোক নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছে। তারা এক ভালো কাজের সাথে অন্য একটি মন্দ কাজ মিশ্রিত করেছে। হতে পারে যে, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১০২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৩) আপনি তাদের সম্পদ থেকে দানকে গ্রহণ করুন। আপনি তাদেরকে এ দানের দ্বারা পবিত্র করতে পারবেন ও আপনি তাদেরকে পরিশোধিত করতে পারবেন। তাদের জন্যে আপনি দোয়া করুন। নিশ্চয় আপনার দোয়া তাদের জন্যে প্রশান্তিকর। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১০৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৪) তারা কি জানে না যে, আল্লাহই তো নিজ বান্দাদের তাওবা কবুল করেন ও দানকে গ্রহণ করেন আর আল্লাহ হচ্ছেন অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১০৪)
- ব্যাখ্যা
(১০৫) আপনি বলুন, “তোমরা কাজ করে যাও, শীঘ্রই আল্লাহ, তাঁর রসূল ও বিশ্বাসীরা তোমাদের কাজকে পর্যবেক্ষণ করবেন। শীঘ্রই তোমাদেরকে অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী আল্লাহর নিকট ফিরিয়ে আনা হবে। তখন তিনি তোমাদেরকে ঐ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন, যা তোমরা করছিলে।” (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১০৫)
- ব্যাখ্যা
(১০৬) আর অন্যরা যাদের বিষয়টা আল্লাহর নির্দেশ না আসা পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে, হয়তো আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন, নয়তো তাদেরকে ক্ষমা করবেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১০৬)
- ব্যাখ্যা