(৮৭) দ্বিমুখীরা এ কারণে আনন্দিত হয়েছে যে, তারা পেছনে পড়ে থাকা লোকদের সাথে বসে থাকবে। তাদের হৃদয়ের উপরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে, সুতরাং তারা সত্যকে বুঝতে পারে না। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮৭)
- ব্যাখ্যা
(৮৮) বরং রসূল এবং যারা তাঁর সঙ্গে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, তারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ও তাদের জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে। এদের জন্যেই কল্যাণ রয়েছে আর এরাই সাফল্য প্রাপ্ত। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮৮)
- ব্যাখ্যা
(৮৯) আল্লাহ তাদের জন্যে এমন বেহেশত প্রস্তুত করে রেখেছেন, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়, তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এটিই হচ্ছে বিরাট সাফল্য। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮৯)
- ব্যাখ্যা
(৯০) পল্লীবাসীদের মধ্যে ছলনাকারীরা আপনার কাছে এসেছিলো, যেনো তাদেরকে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার জন্যে অব্যাহতি দেওয়া হয়। যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের কাছে মিথ্যা কথা বলেছিলো, তারা ঘরে বসে রইলো। তাদের মধ্যে যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছে, শীঘ্রই তাদের উপরে বেদনাদায়ক শাস্তি পৌঁছবে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৯০)
- ব্যাখ্যা
(৯১) দুর্বলদের অথবা অসুস্থদের উপরে কোনো অপরাধ হবে না, যদি তারা যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার জন্যে অব্যাহতি চায়। আর তাদের উপরেও কোনো অপরাধ হবে না, যারা যুদ্ধের জন্যে কি খরচ করবে তা খুঁজে পায় না, যে পর্যন্ত তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের জন্যে কল্যাণ কামনা করে। এমন সৎকর্মীদের উপরে অভিযোগের কোনো পথ নেই। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৯১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯২) আর তাদের উপরেও কোনো অপরাধ নেই, যারা আপনার কাছে এসেছিলো, যেনো আপনি তাদের জন্যে বাহন যোগাড় করে দেন। তখন আপনি তাদেরকে বলেছিলেন যে, “যার উপরে আমি তোমাদেরকে বহন করাবো, তা আমি খুঁজে পাচ্ছি না।” তারা ফিরে গিয়েছিলো ও তাদের চোখে এ দুঃখের কারণে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিলো যে, তারা এমন কোনো সম্পদ খুঁজে পাচ্ছে না, যা তারা যুদ্ধের জন্যে ব্যয় করবে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৯২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯৩) কেবল মাত্র অভিযোগের পথ তাদের বিরুদ্ধেই রয়েছে, যারা আপনার কাছে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার জন্যে অব্যাহতি চায় অথচ তারা ধনী ব্যক্তি। তারা এ কারণে আনন্দিত হয়েছে যে, তারা পেছনে পড়ে থাকা লোকদের সাথে বসে থাকবে। আল্লাহ তাদের হৃদয়ের উপরে মোহর মেরে দিয়েছেন, সুতরাং তারা সত্যকে বুঝতে পারে না। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৯৩)
- ব্যাখ্যা