(৮০) আপনি দ্বিমুখীদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করুন অথবা তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা নাই করুন, তাদেরকে ক্ষমা করা হবে না। আপনি যদি তাদের জন্যে সত্তর বারও ক্ষমা প্রার্থনা করেন, তাহলেও আল্লাহ কখনোই তাদেরকে ক্ষমা করবেন না। এটি এই জন্যে যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি অবিশ্বাস করে। বস্তুত আল্লাহ অবাধ্য জাতিকে পথ প্রদর্শন করেন না। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮১) যারা যুদ্ধ করা থেকে পিছনে রয়ে গিয়েছিলো, তারা আল্লাহর রসূলের যাওয়ার পর নিজ গৃহে বসে থাকাতেই আনন্দবোধ করেছে। তারা অপছন্দ করেছে যে, তাদের সম্পদ ও তাদের জীবন দিয়ে আল্লাহর পথে সংগ্রাম করতে। তারা বলেছিলো যে, “তোমরা এই গরমের মধ্যে যুদ্ধের জন্যে অভিযানে বেরিয়ো না।” আপনি বলুন, “দোযখের আগুন আরো বেশী গরম।” যদি তারা বুঝতে পারতো! (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮১)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) সুতরাং আল্লাহ যদি আপনাকে তাদের মধ্যে কোনো এক দলের দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যান, তারপর তারা আপনার কাছে যুদ্ধের জন্যে অভিযানে বের হওয়ার জন্যে অনুমতি চায়, তাহলে আপনি তাদেরকে বলুন, “তোমরা কখনো আমার সাথে যুদ্ধের জন্যে অভিযানে বের হবে না এবং তোমরা আমার সঙ্গী হয়ে আমার সাথে কোনো শত্রুর বিরূদ্ধে কখনোই যুদ্ধ করবে না। নিশ্চয় তোমরা প্রথমবার বসে থাকাতেই সন্তুষ্ট ছিলে। সুতরাং তোমরা পেছনে পড়ে থাকা লোকদের সঙ্গেই বসে থাকো।” (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) দ্বিমুখীদের মধ্যে কোনো একজনের মৃত্যু হলে, তার উপরে আপনি কখনো নামায পড়বেন না এবং আপনি তার কবরের পাশে কখনো দাঁড়াবেন না। নিশ্চয় তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি অবিশ্বাস করেছে এবং তারা পাপিষ্ঠ অবস্থায় মারা গেছে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮৫) তাদের সম্পদ ও তাদের সন্তান সমূহ যেনো আপনাকে অবাক না করে। কেবল মাত্র আল্লাহ চান যে, এ সবের দ্বারা পৃথিবীর মধ্যেই তাদেরকে শাস্তি দিতে। আর যেনো অবিশ্বাসী থাকা অবস্থায় তাদের প্রাণ চলে যায়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
(৮৬) যখন এই মর্মে কোনো সূরা অবতীর্ণ হয় যে, “তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করো ও তোমরা তাঁর রসূলের সঙ্গী হয়ে সংগ্রাম করো”, তখন তাদের মধ্যে শক্তি-সামর্থের অধিকারীরা আপনার কাছে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার জন্যে অব্যাহতি চায় ও তারা বলে, “আমাদেরকে ছেড়ে দিন। আমরা বসে থাকা লোকদের সঙ্গেই বসে থাকবো।” (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮৬)
- ব্যাখ্যা