(৪৮) অবশ্যই তারা আগে থেকেই অশান্তি সৃষ্টির সুযোগ সন্ধানে ছিলো এবং তারা আপনার কাজ সমূহ অলট-পালট করে দিচ্ছিলো। শেষ পর্যন্ত সত্য এসে গেলো এবং আল্লাহর আদেশ বিজয়ী হলো, যদিও তারা এ বিজয়কে অপছন্দ করছিলো। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বলে যে, “আপনি আমাকে যুদ্ধ থেকে অব্যাহতি দিন এবং আপনি আমাকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলবেন না।” তোমরা শুনে রেখো যে, তারা তো আগে থেকেই বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে রয়েছে। আর তোমরা শুনে রেখো যে, নিশ্চয় দোযখ অবিশ্বাসীদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখবে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) যদি আপনার উপরে কোনো কল্যাণ ঘটে, তবে তা তাদেরকে দুঃখ দেয়। আর যদি আপনার উপরে কোনো বিপদ ঘটে, তাহলে তারা বলে যে, “অবশ্যই আমরা আগে থেকেই আমাদের কাজ সামলে নিয়েছি” এবং তারা উল্লসিত হয়ে ঘরে ফিরে যায়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) আপনি বলুন, “আল্লাহ আমাদের জন্যে যে ভাগ্য লিখে রেখেছেন, তা ব্যতীত আমাদের উপরে কখনো কিছুই ঘটবে না। তিনিই আমাদের রক্ষক। সুতরাং আল্লাহর উপরেই বিশ্বাসীদের ভরসা করা উচিত।” (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৫১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫২) আপনি বলুন, “তোমরা আমাদের জন্যে শহীদ অথবা বিজয়ী হওয়া, এই দুইটি মঙ্গলের কোনো একটি ছাড়া আর কিসের অপেক্ষা করো? আর আমরা তোমাদের জন্যে অপেক্ষায় আছি যে, আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের পক্ষ থেকে অথবা আমাদের হাতে শাস্তি দিবেন। সুতরাং তোমরা অপেক্ষা করো, নিশ্চয় আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষা করছি।” (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৫২)
- ব্যাখ্যা
(৫৩) আপনি বলুন, “হে দ্বিমুখীগণ! তোমরা আল্লাহর পথে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় খরচ করো, তোমাদের কাছ থেকে কোনো খরচকে কখনোই গ্রহণ করা হবে না। নিশ্চয় তোমরা হচ্ছো একটি অবাধ্য জাতি।” (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) দ্বিমুখীদের কাছ থেকে তাদের খরচকে গ্রহণ করা হতে কোনো বাধা ছিলো না, কেবল মাত্র এজন্যে যে, তারা আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি অবিশ্বাস করে, তারা অলসতা ছাড়া নামাযে আসে না আর তারা অনিচ্ছুক ভাব ছাড়া খরচ করে না। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৫৪)
- ব্যাখ্যা