(৩৭) মাস সমূহকে পিছিয়ে দেওয়ার কাজ, কেবল মাত্র অবিশ্বাসের মাত্রাই বৃদ্ধি করে। বস্তুত মাস সমূহকে পিছিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অবিশ্বাসীদেরকে পথভ্রষ্ট করা হয়। তারা মাস সমূহকে পিছিয়ে দেওয়ার কাজকে বৈধ করে কোনো এক বছর ও তারা মাস সমূহকে পিছিয়ে দেওয়ার কাজকে নিষিদ্ধ করে কোনো এক বছর। যেনো তারা ঠিক রাখতে পারে ঐ নিষিদ্ধ চার মাসের সংখ্যাকে, যে মাস সমূহকে আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন। যেনো তারা ঐ মাস সমূহকে বৈধ করতে পারে, যে মাস সমূহকে আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন। তাদের এইসব মন্দ কাজ গুলোকে, তাদের কাছে সুশোভিত করা হয়েছে। বস্তুত আল্লাহ অবিশ্বাসী জাতিকে পথ দেখান না। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো, তোমাদের কি হয়েছে, যখন তোমাদেরকে বলা হচ্ছে যে, “তোমরা আল্লাহর পথে সংগ্রামে বেরিয়ে পড়ো”, তখন তোমরা অলসতার ভারে মাটির দিকে নূয়ে পড়ো? তবে কি তোমরা পরকালের চেয়ে পার্থিব জীবনের প্রতি বেশী সন্তুষ্ট? বস্তুত পরকালের তুলনায় পার্থিব জীবনের উপভোগ অতি সামান্য। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) তোমরা যদি সংগ্রামে বের না হও, তবে আল্লাহ তোমাদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তি দিবেন এবং ভিন্ন জাতিকে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন। তোমরা তাঁর কোনোই ক্ষতি করতে পারবে না। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪০) তোমরা যদি মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য না করো, তবে তোমরা মনে রেখো যে, ইতিপূর্বে যখন অবিশ্বাসীরা তাঁকে মক্কা থেকে বের করে দিয়েছিলো, তখন আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করেছিলেন। তিনি ছিলেন দুই জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন, যখন তাঁরা দুই জন গুহার মধ্যে ছিলেন। যখন রসূল তাঁর সঙ্গী আবু বক্করকে বলেছিলেন, “তুমি বিষন্ন হয়ো না, নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।” তারপর আল্লাহ তাঁর স্বীয় প্রশান্তি রসূলের উপরে অবতীর্ণ করেছিলেন। তাঁর শক্তিকে এমন ফেরেশতাদের এক বাহিনী দিয়ে বৃদ্ধি করেছিলেন, যাদেরকে তোমরা দেখতে পাওনি। আর আল্লাহ অবিশ্বাসীদের কথাকে নীচু করে দিলেন। বস্তুত আল্লাহর বাণী হচ্ছে অতি উচ্চ আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৪০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস