(৩২) অবিশ্বাসীরা চায় যে, তাদের মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর জ্যোতিকে নিভিয়ে দিতে। কিন্তু আল্লাহ তাঁর স্বীয় জ্যোতিকে পূর্ণাঙ্গ করতে কখনোই বিরত হবেন না, যতই অবিশ্বাসীরা তা অপছন্দ করুক। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) তিনিই আল্লাহ, যিনি তাঁর রসূলকে পথ-নির্দেশ ও সত্য ধর্ম সহকারে প্রেরণ করেছেন, যেনো তিনি রসূলকে অন্যসব ধর্মের উপরে বিজয়ী করেন, যতই অংশীবাদীরা তা অপছন্দ করুক। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৪) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় ইহুদী পন্ডিতদের ও খ্রীষ্টান সন্ন্যাসীদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই অন্যায় ভাবে অন্য মানুষের সম্পদ ভোগ করে আর আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে। যারা সোনা ও রূপা জমা করে রাখে অথচ তা আল্লাহর পথে খরচ করে না, সুতরাং আপনি তাদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৫) সেই দিন ঐ জমাকৃত সম্পদকে দোযখের আগুনে উত্তপ্ত করা হবে। তারপর ঐ উত্তপ্ত সম্পদ দিয়ে তাদের কপালে, পার্শ্বদেশে ও পিঠে দগ্ধ করা হবে। তাদেরকে বলা হবে যে, “এই হচ্ছে ঐ সম্পদ, যে সম্পদ তোমরা তোমাদের নিজেদের জন্যে জমিয়ে ছিলে। সুতরাং তোমরা যে সম্পদ জমিয়ে ছিলে, ঐ সম্পদের কারণে শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো!” (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৬) নিশ্চয় আল্লাহর বিধানের মধ্যে সেই দিন থেকেই আল্লাহর কাছে মাস সমূহের সংখ্যা হচ্ছে বারো মাস, যেদিন থেকে আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন। এ মাস সমূহের মধ্যে যিলকদ্ব, যিলহজ্জ, মহরম ও রজব এই চারটি মাস হচ্ছে পবিত্র মাস। এই হচ্ছে সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম। সুতরাং এ পবিত্র মাস সমূহে তোমরা তোমাদের নিজেদের প্রতি অন্যায় করো না। তোমরা অংশীবাদীদের বিরুদ্ধে সমবেত ভাবে যুদ্ধ করো, যেমন তারা সমবেত ভাবে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে থাকে। তোমরা জেনে রেখো যে, অবশ্যই আল্লাহ পরহেযগারদের সঙ্গে রয়েছেন। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস