(২৭) তারপর আল্লাহ তোমাদের এ পৃষ্ঠ প্রদর্শনের পরেও, যার প্রতি ইচ্ছা ক্ষমা করলেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! নিশ্চয় অংশীবাদীরা হচ্ছে অপবিত্র। সুতরাং এই বছরের পরে, তারা যেনো পবিত্র মসজিদের নিকটে না আসে। যদি তোমরা দারিদ্রের আশঙ্কা করো, তাহলে তোমরা জেনে রেখো যে, আল্লাহ যদি ইচ্ছা করেন, শীঘ্রই তিনি তাঁর স্বীয় অনুগ্রহ থেকে তোমাদেরকে অভাব মুক্ত করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) যাদেরকে ধর্ম গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা নিষিদ্ধ করেছেন তা নিষিদ্ধ করে না ও সত্য ধর্ম ইসলামকে পালন করে না, সুতরাং তোমরা এমন লোকদের সঙ্গে যুদ্ধ করো, যে পর্যন্ত না, তারা স্বহস্তে ইসলামিক কর প্রদান করে এবং তারা আল্লাহর আনুগত্য মেনে নেয়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) ইহুদীরা বলে, “উযাইর আল্লাহর পুত্র” আর খ্রীষ্টানরা বলে, “মসীহ আল্লাহর পুত্র”। এ সব হচ্ছে, কেবল মাত্র তাদের মুখের কথা। তারা পূর্ববর্তী অবিশ্বাসীদের মতো কথা বলে। আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন, কোন জায়গা থেকে তাদেরকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে! (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) অবিশ্বাসীরা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে তাদের পন্ডিতগণ, সন্ন্যাসীদের ও মারইয়ামের পুত্র মসীহকে প্রভুরূপে গ্রহণ করেছে। অথচ তাদেরকে এ ছাড়া অন্য কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি যে, “তোমরা একমাত্র আল্লাহর উপাসনা করবে।” তিনি ছাড়া তোমাদের জন্যে অন্য কোনো উপাস্য নেই। তারা যা কিছুকে অংশীদার করে, আল্লাহ ঐসকল অংশীদার থেকে পবিত্র। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৩১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস