(১২০) ইহুদীরা অথবা খ্রীষ্টানরা কখনোই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যে পর্যন্ত না, আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ করেন। আপনি তাদেরকে বলুন, “নিশ্চয় আল্লাহ যে পথ প্রদর্শন করেন, তাই হচ্ছে সরল পথ।” আর কুরআনের জ্ঞান লাভের পরেও আপনি যদি তাদের ইচ্ছার অনুসরণ করেন, তাহলে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষার ব্যাপারে আপনার জন্যে কোনো বন্ধু অথবা কোনো সাহায্যকারীকে আপনি পাবেন না। (২. আল বাক্বারাহ : ১২০)
- ব্যাখ্যা
(১২১) আমি যাদেরকে গ্রন্থ দিয়েছি, তারা উহা পাঠ করে, যেমন উহা পাঠ করা উচিত। এরাই এ সকল গ্রন্থের প্রতি বিশ্বাস করে। আর যারা এ সকল গ্রন্থের প্রতি অবিশ্বাস করে, সুতরাং তারাই ক্ষতিগ্রস্ত। (২. আল বাক্বারাহ : ১২১)
- ব্যাখ্যা
(১২২) হে ইসরাঈলের সন্তানগণ! তোমরা আমার ঐ অনুগ্রহকে স্মরণ করো, যা আমি তোমাদের উপরে দিয়েছি। নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে বিশ্বজগতের উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি। (২. আল বাক্বারাহ : ১২২)
- ব্যাখ্যা
(১২৩) হে ইসরাঈলের সন্তানগণ! তোমরা ঐদিনকে ভয় করো, যেদিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি সামান্যতম উপকৃত হবে না। তার কাছ থেকে কোনো বিনিময় গ্রহণ করা হবে না। কোনো সুপারিশ তার কাজে আসবে না আর তারা সাহায্য প্রাপ্তও হবে না। (২. আল বাক্বারাহ : ১২৩)
- ব্যাখ্যা
(১২৪) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন ইব্রাহীমকে তাঁর প্রভু কয়েকটি নির্দেশ দ্বারা পরীক্ষা করলেন। আর ইব্রাহীম সেগুলোকে পূর্ণ করলেন। আল্লাহ বললেন, “নিশ্চয় আমি তোমাকে মানব জাতির জন্যে নেতা বানাবো।” ইব্রাহীম বললেন, “আমার বংশধরদের মধ্যে থেকেও কি নেতা বানাবেন?” আল্লাহ বললেন, “আমার অঙ্গীকার অন্যায়কারীদের পর্যন্ত পৌঁছাবে না।” (২. আল বাক্বারাহ : ১২৪)
- ব্যাখ্যা
(১২৫) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন আমি কাবা ঘরকে মানুষের জন্যে সম্মেলনের স্থান ও নিরাপত্তার স্থান বানিয়ে ছিলাম। আমি বলেছিলাম যে, “তোমরা ইব্রাহীমের দাঁড়ানোর স্থানকে নামাযের স্থান বানাও।” আমি ইব্রাহীম ও ইসমাঈলের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলাম যে, “তোমরা আমার ঘরকে পবিত্র রেখো তওয়াফকারী, ইতিকাফকারী, রুকুকারী ও সেজদাকারীদের জন্যে।” (২. আল বাক্বারাহ : ১২৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২৬) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন ইব্রাহীম বললেন, “হে আমার প্রভু! তুমি মক্কা শহরকে নিরাপদ বানাও আর মক্কা শহরের অধিবাসীদের মধ্যে যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষদিনের প্রতি বিশ্বাস করবে, তাদেরকে উত্তম ফল দিয়ে জীবিকা দান করো।” আল্লাহ বললেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করবে, সুতরাং তাকেও আমি সামান্য সময় জীবন ভোগ করতে দিবো। তারপর তাকে তাড়িয়ে নিবো আগুনের শাস্তির দিকে। আর ঐ আগুন হচ্ছে নিকৃষ্ট ঠিকানা।” (২. আল বাক্বারাহ : ১২৬)
- ব্যাখ্যা