(১৪) তোমরা অবিশ্বাসীদের সঙ্গে যুদ্ধ করো। আল্লাহ তোমাদের হাতে তাদেরকে শাস্তি দিবেন ও তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন। তোমাদেরকে তাদের বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন। আর আল্লাহ বিশ্বাসী জাতির অন্তরকে অস্থিরতা হতে রোগ মুক্ত করবেন, যেনো অন্তর সমূহ শান্ত হয়। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৬) না কি তোমরা মনে করো যে, তোমাদেরকে সহজেই ছেড়ে দেওয়া হবে, যতক্ষণ না আল্লাহ জেনে নিবেন যে, তোমাদের মধ্যে কারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করেছে এবং কারা আল্লাহ, তাঁর রসূল অথবা বিশ্বাসীদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছে? তোমরা যে কাজই করো না কেনো, আল্লাহ ঐ কাজ সম্পর্কে অবহিত। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) অংশীবাদীরা কোনো যোগ্যতা রাখে না যে, তারা আল্লাহর মসজিদগুলো রক্ষণা-বেক্ষণ করবে, যখন তারা তাদের নিজেদের বিরুদ্ধে আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাসের সাক্ষ্য দেয়। এরাই তারা, যাদের কর্ম সমূহ ব্যর্থ হয়েছে আর এরাই আগুনের মধ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস করবে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৮) কেবল মাত্র ঐ ব্যক্তিই আল্লাহর মসজিদগুলো রক্ষণা-বেক্ষণ করবে, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে, নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত আদায় করে আর আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করে না। সুতরাং আশা করা যায় যে, এরাই সঠিক পথ প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯) যে ব্যক্তি হাজ্বীদেরকে পানি পান করায় ও পবিত্র মসজিদের রক্ষণা-বেক্ষণ করে, এই ব্যক্তিকে তোমরা কি ঐ ব্যক্তির মতো সমান মনে করো, যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ও শেষদিনের প্রতি বিশ্বাস করে আর আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে? তারা আল্লাহর কাছে কখনোই সমান নয়। আল্লাহ অন্যায়কারী জাতিকে সৎপথে পরিচালিত করেন না। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২০) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছে ও দেশত্যাগ করেছে আর তাদের সম্পদ ও তাদের জীবন দিয়ে আল্লাহর পথে সংগ্রাম করেছে, তারা আল্লাহর কাছে মর্যাদার দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ। বস্তুত এরাই সাফল্য প্রাপ্ত। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ২০)
- ব্যাখ্যা