(৭) কেমন করে অংশীবাদীদের জন্যে আল্লাহর সঙ্গে ও তাঁর রসূলের সঙ্গে চুক্তি টিকে থাকবে, তবে তাদের সঙ্গে ছাড়া, যাদের সঙ্গে তোমরা পবিত্র মসজিদের নিকটে চুক্তি করেছিলে? সুতরাং যতক্ষণ তারা তোমাদের প্রতি সরলভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকে, ততক্ষণ তোমরাও তাদের প্রতি সরলভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। নিশ্চয় আল্লাহ পরহেযগারদেরকে ভালোবাসেন। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) কেমন করে অংশীবাদীদের সাথে চুক্তি টিকে থাকবে? কেননা তারা যদি তোমাদের উপরে বিজয়ী হয়, তাহলে তোমাদেরকে আত্মীয়তার ও চুক্তির কোনো মর্যাদা দেয় না। তারা তোমাদেরকে তাদের মুখের কথার মাধ্যমে সন্তুষ্ট করে, কিন্তু তাদের অন্তর তা অস্বীকার করে। বস্তুত তাদের অধিকাংশ হচ্ছে অবাধ্য ও শপথ ভঙ্গকারী। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) অবিশ্বাসীরা আল্লাহর বাণী সমূহকে অল্প মূল্যের বিনিময়ে বিক্রয় করে। তারপর তারা মানুষকে তাঁর পথ থেকে ফিরিয়ে রাখে। নিশ্চয় তারা যা করছে, তা অতি নিকৃষ্ট। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীগণকে আত্মীয়তার ব্যাপারে অথবা অঙ্গীকারের কোনো মর্যাদা দেয় না। এরাই হচ্ছে প্রকৃত সীমালঙ্ঘনকারী। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) কিন্তু যদি অবিশ্বাসীরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, নামায প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের ধর্মের ভাই। আমি নিদর্শন সমূহ ঐ জাতির জন্যে বিস্তারিত বর্ণনা করি, যারা আল্লাহর বিধান সম্পর্কে জানে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২) যদি অবিশ্বাসীরা চুক্তি সম্পাদনের পরে, তাদের শপথ ভঙ্গ করে এবং তোমাদের ধর্মের ব্যাপারে বিদ্রুপ করে, তবে অবিশ্বাসীদের প্রধানদের সাথে তোমরা যুদ্ধ করো। সম্ভবত তারা শপথ ভঙ্গ করা হতে বিরত হবে। নিশ্চয় তাদের ক্ষেত্রে কোনো সত্য শপথ নেই। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৩) তোমরা কি ঐ জাতির সাথে যুদ্ধ করবে না, যারা তাদের শপথকে ভঙ্গ করেছে এবং রসূলকে মক্কা থেকে বহিষ্কার করার সঙ্কল্প করেছিলো? তারাই প্রথম তোমাদের সাথে বিবাদের সূত্রপাত করেছে। তোমরা কি তাদেরকে ভয় করো? অথচ যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো, তবে আল্লাহই বেশি হকদার যে, তোমরা তাঁকে ভয় করবে। (৯. আত তাওবাহ / বারাআত : ১৩)
- ব্যাখ্যা