(৩৪) অবিশ্বাসীদের জন্যে এমন কী বিষয় রয়েছে যে, আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন না, যখন তারা পবিত্র মসজিদে আল্লাহর ইবাদত করা থেকে বিশ্বাসীদেরকে বাধা দেয়? অথচ তারা এর তত্ত্বাবধায়ক হতে পারে না। পরহেযগাররা ব্যতীত এ পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক অন্য কেউ হতে পারে না, কিন্তু তাদের অধিকাংশই এই বিষয়টি জানে না। (৮. আল আনফাল : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৫) কাবা ঘরের নিকটে অবিশ্বাসীদের নামায শুধু শিস দেওয়া ও হাততালি দেওয়া ছাড়া অন্য কিছুই ছিলো না। সুতরাং পরকালে তাদেরকে বলা হবে যে, “তোমরা দোযখের শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো, যেহেতু তোমরা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করেছিলে।” (৮. আল আনফাল : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) নিশ্চয় যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা মানুষকে আল্লাহর পথে বাধা দেয়ার জন্যে তাদের সম্পদকে ব্যয় করে। সুতরাং শীঘ্রই তারা তাদের ঐ সম্পদকে আরো ব্যয় করবে। তারপর এ ব্যয় তাদের জন্যে আক্ষেপের কারণ হবে। তারপর তাদেরকে পরাজিত করা হবে। যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে তাদেরকে দোযখের দিকে একত্রিত করা হবে। (৮. আল আনফাল : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) যেনো আল্লাহ অপবিত্র লোকদেরকে পবিত্র লোকদের থেকে পৃথক করেদেন। তিনি অপবিত্র লোকদেরকে তাদের একজনকে অন্যজনের উপরে একত্রিত করবেন। তারপর তিনি তাদের সবাইকে একত্রে জমা করবেন। এরপর তাদেরকে দোযখের মধ্যে নিক্ষেপ করবেন। এরাই হলো প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত। (৮. আল আনফাল : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, আপনি তাদেরকে বলুন, যদি তারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করা থেকে বিরত হয়, তবে যে অপরাধ ইতিপূর্বে হয়ে গেছে, ঐ অপরাধকে তাদের জন্যে ক্ষমা করা হবে। আর যদি তারা পুনরায় অবিশ্বাস করে, তবে অবশ্যই তাদের জন্যেও পুর্ববর্তীদের মতো শাস্তির রীতি নির্ধারিত হয়ে গেছে। (৮. আল আনফাল : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) তোমরা অবিশ্বাসীদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকো, যতক্ষণ না অশান্তি শেষ হয়ে যায় এবং আল্লাহর ধর্ম পরিপূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তারপর যদি তারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করা থেকে বিরত হয়ে যায়, তাহলে তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা দেখেন, যা কিছু তারা করে। (৮. আল আনফাল : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪০) কিন্তু যদি তারা অবিশ্বাসের দিকে ফিরে যায়, তবে তোমরা জেনে রেখো যে, আল্লাহ তোমাদের অভিভাবক। আল্লাহ কতোই না উত্তম অভিভাবক ও উত্তম সাহায্যকারী! (৮. আল আনফাল : ৪০)
- ব্যাখ্যা