(৯) তোমরা ঐ সময়ের কথা স্মরণ করো, যখন বদর যুদ্ধের সময় তোমরা তোমাদের প্রভুর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে, তখন তিনি তোমাদের প্রতি সাড়া দিয়েছিলেন ও আল্লাহ বলেছিলেন যে, “আমি তোমাদেরকে ধারাবাহিক ভাবে আগত এক হাজার ফেরেশতার মাধ্যমে সাহায্য করবো।” (৮. আল আনফাল : ৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) আল্লাহ এ প্রতিশ্রুতিকে সুসংবাদ করেছেন। যেনো এ প্রতিশ্রুতির দ্বারা তোমাদের হৃদয় সমূহ প্রশান্তি লাভ করে। সাহায্য কেবল মাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৮. আল আনফাল : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) তোমরা ঐ সময়ের কথা স্মরণ করো, যখন বদর যুদ্ধের সময় তিনি তোমাদেরকে তাঁর পক্ষ থকে প্রশান্তি রূপে তন্দ্রাচ্ছন্ন করলেন। তিনি তোমাদের উপর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করলেন, যেনো তোমাদেরকে এ পানির দ্বারা পবিত্র করেদেন। যেনো তোমাদের থেকে শয়তানের অপবিত্রতাকে দূর করেদেন। যেনো তোমাদের অন্তরকে সুদৃঢ় করতে পারেন। আর যেনো এ পানির দ্বারা তোমাদের পা সুদৃঢ় করতে পারেন। (৮. আল আনফাল : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) তোমরা ঐ সময়ের কথা স্মরণ করো, যখন আপনার প্রভু ফেরেশতাদের কাছে নির্দেশ দিলেন যে, “আমি তোমাদের সাথে আছি, সুতরাং তোমরা বিশ্বাসীদের পা সুদৃঢ় করো। যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে, আমি শীঘ্রই তাদের অন্তরের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করবো। সুতরাং তোমরা অবিশ্বাসীদের ঘাড়ের উপরে ও তাদের আঙ্গুলের প্রত্যেক জোড়ায় আঘাত করো।” (৮. আল আনফাল : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) এটি এজন্যে যে, যেহেতু তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি অবাধ্য হয়েছে। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অবাধ্য হয়, তাহলে নিশ্চয় তার জেনে রাখা উচিত যে, আল্লাহ শাস্তি দানে কঠোর। (৮. আল আনফাল : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) সুতরাং হে অবিশ্বাসীগণ! ইহকালে তোমরা এই শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো। তোমরা জেনে রেখো যে, অবিশ্বাসীদের জন্যে পরকালে আগুনের শাস্তি রয়েছে। (৮. আল আনফাল : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৫) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা যখন যুদ্ধের সময় আক্রমনকারী অবিশ্বাসীদের মুখোমুখী হও, তখন যুদ্ধ থেকে পালানোর উদ্দেশ্যে তোমরা পৃষ্ঠ-প্রদর্শন করো না। (৮. আল আনফাল : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) যে কেউ যুদ্ধের সময় যুদ্ধের কৌশল অবলম্বন করা ব্যতীত অথবা নিজ সৈন্যদলের নিকট আশ্রয় নেওয়ার উদ্দেশ্য ব্যতীত পৃষ্ঠ-প্রদর্শন করবে অবশ্যই সে আল্লাহর কাছ থেকে ক্রোধ সাথে নিয়ে ফিরবে। আর তার ঠিকানা হচ্ছে দোযখ। বস্তুত দোযখ হচ্ছে নিকৃষ্ট বাসস্থান! (৮. আল আনফাল : ১৬)
- ব্যাখ্যা