(১) তারা আপনাকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, “যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টনের বিধান দেয়ার অধিকার আল্লাহ ও রসূলের জন্যে নির্ধারিত রয়েছে। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমরা তোমাদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সংশোধন করে নাও। যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো, তবে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো।” (৮. আল আনফাল : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী তো কেবল মাত্র তারাই, যারা এমন যে, যখন তাদের সামনে আল্লাহকে স্মরণ করা হয়, তখন তাদের হৃদয় ভীত হয়। যখন তাদের কাছে তাঁর বাণী সমূহ কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তা তাদের জন্যে ধর্ম বিশ্বাসকে আরো বাড়িয়ে দেয়। আর তাদের প্রভু আল্লাহর উপরেই তারা নির্ভর করে। (৮. আল আনফাল : ২)
- ব্যাখ্যা
(৫) যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টনের বিষয়টা এমন, যেমন আপনার প্রভু আপনাকে আপনার ঘর থেকে সত্যের সাথে বের করেছেন। অথচ বিশ্বাসীদের মধ্যে একটি দল একে অপছন্দ করছিলো। (৮. আল আনফাল : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) সত্য সুস্পষ্ট হবার পরেও বিশ্বাসীদের মধ্যে একটি দল আপনার সঙ্গে সত্য সম্পর্কে বিতর্ক করছিলো, যেনো তারা মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছিলো। আর তারা তখন মৃত্যুর দিকে তাকিয়ে ছিলো। (৮. আল আনফাল : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) যখন বদর যুদ্ধের সময় আল্লাহ তোমাদেরকে শত্রু পক্ষের দুই দলের একটি সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তা তোমাদের হস্তগত হবে। আর তোমরা চেয়েছিলে যে, অস্ত্র সজ্জিত নয় এমন দলটি তোমাদের হস্তগত হোক। অথচ আল্লাহ চেয়েছিলেন যে, সত্যকে স্বীয় বাণীর মাধ্যমে সত্যে পরিণত করতে। আর যেনো আল্লাহ অবিশ্বাসীদের শিকড় কেটে দেন, (৮. আল আনফাল : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস