(১৯৭) আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে, যাদেরকে তোমরা আহবান করো, তারা তোমাদেরকে সাহায্য করার কোনো সামর্থ্য রাখে না। আর তারা তাদের নিজেদেরকেও সাহায্য করতে পারে না। (৭. আল আরাফ : ১৯৭)
- ব্যাখ্যা
(১৯৮) আপনি যদি অংশীবাদীদেরকে সুপথের দিকে আহবান করেন, তবে তারা আপনার ঐ আহবানকে শুনে না। আপনি তাদেরকে দেখতে পাবেন যে, তারা আপনার দিকে তাকিয়ে আছে, কিন্তু তারা আপনাকে দেখতে পায় না। (৭. আল আরাফ : ১৯৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯৯) হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ক্ষমা করার অভ্যাস অবলম্বন করুন ও সৎকাজের নির্দেশ দিন এবং আপনি মূর্খদের থেকে দূরে সরে থাকুন। (৭. আল আরাফ : ১৯৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২০০) যদি শয়তানের পক্ষ থেকে আপনাকে কোনো কুমন্ত্রণা দেওয়া হয়, তাহলে আপনি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (৭. আল আরাফ : ২০০)
- ব্যাখ্যা
(২০১) নিশ্চয় যারা আল্লাহকে ভয় করে, যখন শয়তানের কোনো কুমন্ত্রণা তাদেরকে স্পর্শ করে, তখন তারা আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তখনই তাদের ঈমানের চোখ খুলে যায়। (৭. আল আরাফ : ২০১)
- ব্যাখ্যা
(২০২) যারা শয়তানদের ভাই, তাদেরকে শয়তান বিভ্রান্তির মধ্যে টেনে নিয়ে যায়, তারপর শয়তানের ভাইগণ বিভ্রান্তি থেকে সত্যের দিকে কখনোই ফিরে আসে না। (৭. আল আরাফ : ২০২)
- ব্যাখ্যা
(২০৩) যখন আপনি তাদের নিকট তাদের পছন্দ অনুযায়ী কোনো নিদর্শন নিয়ে যান না, তখন তারা বলে, “আপনি নিজের পক্ষ থেকে কেনো এই নিদর্শন বেছে নেন না?” তখন আপনি বলে দিন, “আমি কেবল মাত্র তারই অনুসরণ করি, যা আমার প্রভুর পক্ষ থেকে আমার কাছে ওহী হয়। এই কুরআন হচ্ছে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে জ্ঞানের সমষ্টি ও ঐ জাতির জন্যে পথ-নির্দেশক ও দয়া স্বরূপ, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে।” (৭. আল আরাফ : ২০৩)
- ব্যাখ্যা
(২০৫) আপনি সকালে ও সন্ধ্যায় আপনার প্রভুকে আপনার নিজের মনের মধ্যে বিনয় ও ভীতির সাথে স্মরণ করুন। আপনি অনুচ্চ স্বরে আল্লাহকে স্মরণ করুন। আপনি আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীনদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। (৭. আল আরাফ : ২০৫)
- ব্যাখ্যা
(২০৬) নিশ্চয় যে ফেরেশতারা আপনার প্রভুর সান্নিধ্যে রয়েছে, তারা আল্লাহর উপাসনার ব্যাপারে অহঙ্কার করে না। ফেরেশতারা আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করে। আর ফেরেশতারা কেবল মাত্র আল্লাহর প্রতিই সেজদা করে। (সেজদা-১) (৭. আল আরাফ : ২০৬)
- ব্যাখ্যা