(১৮৮) আপনি বলুন, “আমার নিজের জন্যে কোনো উপকার অথবা ক্ষতি করার আমি কোনো ক্ষমতা রাখি না, তবে আল্লাহ আমার জন্যে যা চান তা ব্যতীত। আমি যদি অদৃশ্য সম্পর্কে জানতাম, তাহলে অবশ্যই আমি প্রচুর পরিমাণ মঙ্গল অর্জন করে নিতে পারতাম এবং কোনো অমঙ্গল আমাকে স্পর্শ করতো না। আমি তো কেবল মাত্র একজন সতর্ককারী। আমি ঐ জাতির জন্যে একজন সুসংবাদ দাতা, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে। (৭. আল আরাফ : ১৮৮)
- ব্যাখ্যা
(১৮৯) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি আদম থেকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আদম থেকে তার সঙ্গিনী হাওয়াকে তৈরি করেছেন, যেনো আদম হাওয়ার কাছ থেকে শান্তি পেতে পারে। তারপর যখন পুরুষ নারীকে আচ্ছন্ন করলো, তখন নারী গর্ভে একটি হাল্কা বোঝা সহ সন্তান ধারণ করলো। নারী তাই নিয়ে চলাফেরা করতে থাকলো। তারপর যখন গর্ভ ভারী হয়ে গেলো, তখন তারা উভয়ে তাদের প্রভু আল্লাহকে আহবান করলো, “যদি আপনি আমাদেরকে সুস্থ ও ভালো একটি সন্তান দান করেন, তবে আমরা অবশ্যই আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ হবো।” (৭. আল আরাফ : ১৮৯)
- ব্যাখ্যা
(১৯০) তারপর যখন, আল্লাহ তাদের উভয়কে সুস্থ ও ভালো একটি সন্তান দান করলেন, তখন তারা উভয়ে তাঁর সঙ্গে অংশীদার তৈরী করলো অথচ তারা যা আল্লাহর সঙ্গে অংশী করে, আল্লাহ ঐসব থেকে বহু উর্ধে। (৭. আল আরাফ : ১৯০)
- ব্যাখ্যা
(১৯৩) তোমরা বিশ্বাসীরা যদি ঐ অংশীবাদীদেরকে সুপথের দিকে আহবান করো, তবে তারা তোমাদেরকে অনুসরণ করবে না। তোমরা তাদেরকে আহবান করো অথবা তোমরা নিরব থাকো, তাদের জন্যে উভয়ই সমান। (৭. আল আরাফ : ১৯৩)
- ব্যাখ্যা
(১৯৪) নিশ্চয় আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমরা যাদেরকে আহবান করো, তারা সবাই তোমাদের মতোই বান্দা। সুতরাং তোমরা তাদেরকে ডাকো, তখন তারা তোমাদের জন্যে সেই ডাকে সাড়া দিক, যদি তোমরা সত্যবাদী হও। (৭. আল আরাফ : ১৯৪)
- ব্যাখ্যা
(১৯৫) তোমাদের ঐ অংশীদের কি পা আছে, যা দিয়ে তারা চলতে পারে? অথবা তাদের কি হাত আছে, যা দিয়ে তারা ধরতে পারে? অথবা তাদের কি চোখ আছে, যা দিয়ে তারা দেখতে পারে? অথবা তাদের কি কান আছে, যা দিয়ে তারা শুনতে পারে? আপনি বলুন, “তোমরা তোমাদের অংশীদেরকে ডাকো, তারপর তোমরা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করো আর তোমরা আমাকে সামান্যতম অবকাশ দিও না। (৭. আল আরাফ : ১৯৫)
- ব্যাখ্যা