(১৭৯) অবশ্যই আমি জ্বিন ও মানুষের মধ্যে থেকে বহু জনকে দোযখের জন্যে সৃষ্টি করেছি। তাদের হৃদয় আছে, কিন্তু তা দিয়ে তারা বুঝে না। তাদের চোখ আছে, কিন্তু তা দিয়ে তারা দেখে না। তাদের কান আছে, কিন্তু তা দিয়ে তারা শুনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মতো, বরং তারা আরো নিকৃষ্ট। এরাই হচ্ছে আল্লাহর বিধান সম্পর্কে উদাসীন। (৭. আল আরাফ : ১৭৯)
- ব্যাখ্যা
(১৮০) উত্তম নাম সমূহ আল্লাহরই। সুতরাং তোমরা সেই সব উত্তম নাম দ্বারাই তাঁকে ডাকো। তোমরা তাদেরকে বর্জন করো, যারা তাঁর নাম সমূহের মধ্যে বিকৃতি করে। শীঘ্রই তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে। (৭. আল আরাফ : ১৮০)
- ব্যাখ্যা
(১৮১) যাদেরকে আমি সৃষ্টি করেছি, তাদের মধ্যে একটি দল এমন আছে, যারা সত্যের পথ দেখায় এবং সেই সত্যের দ্বারা ন্যায় বিচার করে। (৭. আল আরাফ : ১৮১)
- ব্যাখ্যা
(১৮২) যারা আমার বাণী সমূহকে মিথ্যা বলে, শীঘ্রই আমি তাদেরকে পর্যায়ক্রমে এমন জায়গা থেকে পাকড়াও করবো, যে জায়গা সম্পর্কে তাদের ধারণাও হবে না। (৭. আল আরাফ : ১৮২)
- ব্যাখ্যা
(১৮৪) তবে কি তারা এ ব্যাপারে চিন্তা করে না যে, তাদের সঙ্গী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মধ্যে কোনো পাগলামি নেই? বস্তুত তিনি এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী। (৭. আল আরাফ : ১৮৪)
- ব্যাখ্যা
(১৮৫) তবে কি তারা নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজ্যের প্রতি ও আল্লাহ যা কিছু সৃষ্টি করেছেন ঐ সকল বস্তু সামগ্রীর প্রতি তাকায় না? হতে পারে যে, নিশ্চয় তাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল নিকটবর্তী হয়েছে। সুতরাং এর পরে আর কোন আলোচনার দ্বারা তারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করবে? (৭. আল আরাফ : ১৮৫)
- ব্যাখ্যা
(১৮৬) আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, সুতরাং তার জন্যে কোনো পথ প্রদর্শক নেই। তাদেরকে আল্লাহ তাদের অবাধ্যতার মধ্যে উদভ্রান্ত ভাবে ঘুরপাক খেতে ছেড়ে দেন। (৭. আল আরাফ : ১৮৬)
- ব্যাখ্যা
(১৮৭) তারা আপনাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, কখন তা অনুষ্ঠিত হবে। আপনি বলুন, “এর জ্ঞান কেবল মাত্র আমার প্রভুর কাছে রয়েছে। তিনি ছাড়া অন্য কেউ এর সময় সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে পারে না। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের মধ্যে কিয়ামত অতি কঠিন বিষয় হবে। তোমাদের উপরে হঠাৎ করে কিয়ামত আসবে।” তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, যেনো আপনি এ বিষয়ে খুব ভালো ভাবে অবগত। আপনি বলুন, “এর জ্ঞান কেবল মাত্র আল্লাহর কাছে রয়েছে, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এই বিষয়টি জানে না।” (৭. আল আরাফ : ১৮৭)
- ব্যাখ্যা