(১৭১) যখন আমি পাহাড়কে একটি আচ্ছাদনের মতো করে তাদের মাথার উপরে তুলে ধরেছিলাম, তখন তারা ভেবেছিলো যে, পাহাড় তাদের মাথার উপরে ভেঙ্গে পড়বে। আমি তাদেরকে আদেশ করলাম যে, “আমি তোমাদেরকে যে তাওরাত দিয়েছি, তা তোমরা দৃঢ়ভাবে আকঁড়ে ধরো। আর তাওরাতের মধ্যে যা রয়েছে তোমরা তা স্মরণ রেখো, যেনো তোমরা আল্লাহকে ভয় করো।” (৭. আল আরাফ : ১৭১)
- ব্যাখ্যা
(১৭২) যখন আপনার প্রভু আদম সন্তানদের পৃষ্ঠদেশ থেকে তাদের বংশধরদেরকে বের করেছিলেন। আর তাদের নিজেদের সম্পর্কে তাদেরকে প্রতিজ্ঞা করালেন এবং প্রশ্ন করলেন যে, “আমি কি তোমাদের প্রভু নই?” তারা বলেছিলো, “হাঁ, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনিই আমাদের প্রভু।” এটা এজন্যে যেনো তোমরা কিয়ামতের দিনে বলতে না পারো যে, “নিশ্চয় আমরা এ সম্পর্কে অজ্ঞাত ছিলাম।” (৭. আল আরাফ : ১৭২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭৩) অথবা তোমরা বলতে না পারো যে, “অংশীদারিত্বের প্রথা আমাদের পূর্বে কেবল মাত্র আমাদের বাপ-দাদারা উদ্ভাবন করেছিলো আর আমরা তাদের পরবর্তী কালের বংশধর ছিলাম। তাহলে কি আপনি আমাদেরকে ঐ কাজের কারণে ধ্বংস করবেন, যা আমাদের পূর্বে পথভ্রষ্টরা করেছিলো?” (৭. আল আরাফ : ১৭৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭৫) আপনি তাদেরকে বালআম ইবনে বাউরারের বৃত্তান্ত শুনিয়েদিন, যাকে আমি আমার নিদর্শন সমূহ দান করেছিলাম। কিন্তু সে ঐ নিদর্শন সমূহ বর্জন করে সত্য ধর্ম থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে শয়তান তার পিছু নেয়। সুতরাং সে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়ে। (৭. আল আরাফ : ১৭৫)
- ব্যাখ্যা
(১৭৬) আমি যদি ইচ্ছা করতাম, তবে অবশ্যই বালআম ইবনে বাউরারের মর্যাদাকে ঐ সকল নিদর্শন সমূহের দ্বারা বাড়িয়ে দিতাম। কিন্তু সে পার্থিব লালসার দিকে ঝুঁকে পরলো এবং সে তার স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরণ করে চললো। সুতরাং তার উপমা হচ্ছে কুকুরের দৃষ্টান্তের মতো। যদি আপনি তাকে তাড়া করেন, সে জিব বের করে হাঁপাবে। অথবা যদি আপনি তাকে ছেড়ে দেন, তবুও সে জিব বের করে হাঁপাবে। এই হচ্ছে ঐ সব লোকের দৃষ্টান্ত, যারা আমার নিদর্শন সমূহকে মিথ্যা বলে। সুতরাং, আপনি তাদের কাছে এইসব কাহিনী বর্ণনা করুন, যেনো তারা আল্লাহর নিদর্শন সমূহ সম্পর্কে চিন্তা করে। (৭. আল আরাফ : ১৭৬)
- ব্যাখ্যা