(১৬৪) যখন তাদের মধ্যে থেকে একটি দল বললো যে, “তোমরা কেনো ঐ জাতিকে উপদেশ দিচ্ছো, আল্লাহ যাদেরকে ধ্বংস করবেন অথবা কঠোর শাস্তি দিবেন”? তাঁরা বললো, “আমরা তাদেরকে উপদেশ দিচ্ছি যেনো আমরা তোমাদের প্রভুর কাছে দায়িত্ব মুক্ত হতে পারি আর যেনো তারা আল্লাহকে ভয় করে।” (৭. আল আরাফ : ১৬৪)
- ব্যাখ্যা
(১৬৫) কিন্তু যখন তারা ঐ সব বিষয়কে ভুলে গেলো, যে সম্পর্কে তাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয়েছিলো, তখন আমি তাদেরকে উদ্ধার করেছিলাম, যারা মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করতো আর আমি তাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তির মাধ্যমে পাকড়াও করলাম, যারা অন্যায় করতো, যেহেতু তারা অবাধ্যতা করেছিলো। (৭. আল আরাফ : ১৬৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬৬) তারপর যখন তারা সেই সম্পর্কে ভুলে গেলো, যে সম্পর্কে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিলো, তখন আমি তাদেরকে বললাম, “তোমরা লাঞ্ছিত বানর হয়ে যাও।” (৭. আল আরাফ : ১৬৬)
- ব্যাখ্যা
(১৬৭) যখন আপনার প্রভু ঘোষণা করলেন যে, অবশ্যই আল্লাহ ইহুদীদের বিরুদ্ধে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত এমন লোক পাঠাতে থাকবেন, যারা তাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তি দিয়ে কষ্ট দিবে। নিশ্চয় আপনার প্রভু প্রতিফল দানে দ্রুত এবং নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৭. আল আরাফ : ১৬৭)
- ব্যাখ্যা
(১৬৮) আমি পৃথিবীর মধ্যে ইহুদীদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করেছি। তাদের মধ্যে অনেকে সৎকর্মশীল ও তাদের মধ্যে অনেকে এর বিপরীত। আমি তাদেরকে ভালো ও মন্দ অবস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা করেছি, যেনো তারা আমার দিকে ফিরে আসে। (৭. আল আরাফ : ১৬৮)
- ব্যাখ্যা
(১৬৯) সুতরাং তাদের পরে স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো কিছু উত্তরসুরি, যারা তাওরাতের উত্তরাধিকারী হয়েছে। তারা ঘুষরূপে সাধারণ জীবনের তুচ্ছ সামগ্রী গ্রহণ করতো এবং বলতো, “শীঘ্রই আমাদেরকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” যদি তাদের কাছে ঘুষরূপে কোনো সামগ্রী আসে, তবে তারা তা গ্রহণ করে। তাদের কাছ থেকে গ্রন্থের মধ্যে কি অঙ্গীকার নেওয়া হয়নি যে, তারা আল্লাহর প্রতি সত্য ছাড়া মিথ্যা বলবে না? অথচ তারা ঐ সব বিষয় পাঠ করেছে, যা তাওরাতের মধ্যে লেখা রয়েছে? যারা আল্লাহকে ভয় করে, তাদের জন্যে পরকালের বাসস্থান উত্তম। তোমরা কি তাহলে আল্লাহর বাণীকে বুঝো না? (৭. আল আরাফ : ১৬৯)
- ব্যাখ্যা
(১৭০) যারা আল্লাহর গ্রন্থকে সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে ও নামায প্রতিষ্ঠা করে, নিশ্চয় আমি এমন সৎকর্মশীলদের প্রতিফল বিনষ্ট করি না। (৭. আল আরাফ : ১৭০)
- ব্যাখ্যা