(১০৬) কুরআনের বাণীর মধ্যে থেকে আমি যা কিছু রহিত করি অথবা উহা আপনাকে ভুলিয়ে দিই, আমি তার চাইতে উত্তম অথবা তার অনুরূপ বাণী নিয়ে আসি। আপনি কি জানেন না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান? (২. আল বাক্বারাহ : ১০৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৭) আপনি কি জানেন না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহর জন্যেই। আর তোমাদের জন্যে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো বন্ধু ও সাহায্যকারী নেই। (২. আল বাক্বারাহ : ১০৭)
- ব্যাখ্যা
(১০৮) হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা কি চাও যে, তোমাদের রসূলকে ঐরূপ প্রশ্ন করতে, মূসাকে ইতিপূর্বে যেরূপ প্রশ্ন করা হয়েছিলো? আর যে ব্যক্তি বিশ্বাসের জায়গায় অবিশ্বাস পরিবর্তন করে নেয়, সুতরাং অবশ্যই সে সরল পথ থেকে পথভ্রষ্ট হয়। (২. আল বাক্বারাহ : ১০৮)
- ব্যাখ্যা
(১০৯) হে বিশ্বাসীগণ! গ্রন্থপ্রাপ্তদের মধ্যে অনেকে কামনা করে যে, আল্লাহর প্রতি তোমাদের বিশ্বাস আনার পরেও তোমাদেরকে অবিশ্বাসের দিকে ফিরিয়ে নিতে, তাদের কাছে সত্য স্পষ্ট হবার পরেও, তাদের নিজেদের পক্ষ থেকে হিংসা বশত তারা এমন কামনা করে। সুতরাং তাদেরকে তোমরা ক্ষমা করো ও উপেক্ষা করো, যে পর্যন্ত না, আল্লাহ তোমাদের উপরে তাঁর কোনো নির্দেশ নিয়ে আসেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (২. আল বাক্বারাহ : ১০৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১০) তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা করো ও যাকাত আদায় করো। তোমাদের আত্মার জন্যে কোনো কল্যাণ কাজ হতে, যা কিছু তোমরা পূর্বেই প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে প্রতিদান স্বরূপ পেয়ে যাবে। নিশ্চয় তোমরা যা করছো, আল্লাহ তা দেখছেন। (২. আল বাক্বারাহ : ১১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১১) তারা বলে, “যে কেউ ইহুদী অথবা খ্রীষ্টান হয়, সে ব্যতীত অন্য কেউ কখনোই বেহেশতে প্রবেশ করবে না।” এসব হচ্ছে তাদের মনের বাসনা। আপনি বলুন, “তোমাদের প্রমাণ নিয়ে এসো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।” (২. আল বাক্বারাহ : ১১১)
- ব্যাখ্যা
(১১২) তবে হাঁ, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিজেকে আত্মসমর্পণ করেছে ও সে সৎকর্মী হয়েছে, সুতরাং তার জন্যে তার প্রভুর নিকটে পুরস্কার রয়েছে। তাদের উপরে কোনো ভয় নেই এবং তারা অনুতাপও করবে না। (২. আল বাক্বারাহ : ১১২)
- ব্যাখ্যা