(১২৩) ফিরআউন বললো, “আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেওয়ার আগেই কি, তোমরা মূসার প্রতি বিশ্বাস করলে! নিশ্চয় এটি অবশ্যই এক চক্রান্ত, যা তোমরা এ শহরের মধ্যে করেছো, যেনো তোমরা এ শহর থেকে এর অধিবাসীদেরকে বের করে দিতে পারো। সুতরাং তোমরা শীঘ্রই আমার শাস্তি সম্পর্কে জানতে পারবে! (৭. আল আরাফ : ১২৩)
- ব্যাখ্যা
(১২৬) তুমি আমাদের উপরে কেবল মাত্র এজন্যে প্রতিশোধ নিচ্ছো যে, যখন আমাদের কাছে আমাদের প্রভুর নিদর্শন সমূহ এসেছে, তখন আমরা ঐ নিদর্শন সমূহের প্রতি বিশ্বাস করেছি। হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদের উপরে ধৈর্য্য ঢেলে দিন আর মুসলিম রূপে আমাদের মৃত্যু ঘটান।” (৭. আল আরাফ : ১২৬)
- ব্যাখ্যা
(১২৭) ফিরআউনের জাতির প্রধানরা বললো, “আপনি কি মূসা ও তাঁর জাতিকে দেশের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করতে এবং আপনাকে ও আপনার দেবতাদেরকে পরিত্যাগ করতে ছেড়ে দিবেন?” ফিরআউন বললো, “শীঘ্রই আমরা তাদের পুত্রদেরকে হত্যা করবো আর তাদের কন্যাদেরকে জীবিত রাখবো। নিশ্চয় আমরা তাদের উপরে ক্ষমতায় প্রবল।” (৭. আল আরাফ : ১২৭)
- ব্যাখ্যা
(১২৮) মূসা নিজ জাতিকে বললেন, “তোমরা আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করো ও ধৈর্য্যধারণ করো। নিশ্চয় পৃথিবী তো আল্লাহর জন্যেই, তিনি তাঁর স্বীয় বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পৃথিবীর উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন। আর পরহেযগারদের জন্যে শুভ পরিণাম রয়েছে।” (৭. আল আরাফ : ১২৮)
- ব্যাখ্যা
(১২৯) মূসার জাতি বললো যে, “আপনার আগমনের আগে ও পরে আমরা অত্যাচারিত হয়েছি।” মূসা বললেন, “হতে পারে যে, তোমাদের প্রভু তোমাদের শত্রুদেরকে ধ্বংস করবেন আর তোমাদেরকে দেশের মধ্যে শীঘ্রই প্রতিনিধিত্ব দান করবেন, যেনো আল্লাহ দেখতে পারেন, তোমরা কেমন ভালো কাজ করো।” (৭. আল আরাফ : ১২৯)
- ব্যাখ্যা